কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনে চার্জ গঠন। প্রাক্তন বিধায়ক পরেশ পাল, প্রাক্তন কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার, পাপিয়া ঘোষ, তৎকালীন নারকেলডাঙা থানার ওসি শুভজিৎ সেন, তৎকালীন এসআই রত্না সরকার ও হোমগার্ড দীপঙ্কর দেবনাথ-সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হল আদালতে। নগর দায়রা আদালতে চার্জগঠন করা হল।
কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সিবিআই। সিবিআই অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয়। তাতে মোট ২০ অভিযুক্তের নাম ছিল।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর খুন হন কাঁকুড়গাছির বিজেপি নেতা অভিজিৎ সরকার (BJP Worker Abhijit Sarkar)। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ তোলেন, তাঁকে নৃশংস অত্যাচার করে খুন করা হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ তদন্তে নামে। পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সিবিআই। সিবিআই অতিরিক্ত চার্জশিট জমা দেয়। তাতে মোট ২০ অভিযুক্তের নাম ছিল। গ্রেপ্তার হন কাঁকুড়গাছি থানার তৎকালীন ওসি ও সাব ইন্সপেক্টরও। তাঁদের জামিনের মামলায় আদালত প্রশ্ন তুলেছিল, রক্ষকই ভক্ষক হলে সমাজ চলবে কী করে? দীর্ঘ তদন্তে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়েও মাঝে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।
তারপর জল গড়ায় অনেক দূর। তদন্ত চলছিলই। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারের পতন ও বিজেপি প্রথম সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনও দুষ্কৃতীকে ছাড়া হবে না। এবার দীর্ঘ তদন্তের পর আজ, বুধবার অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হল। হত্যা, অপরাধ মুলক ষড়যন্ত্র, অবৈধ ভাবে জমায়েত-সহ একাধিক ধারায় চার্জ গঠন হয়েছে। পরেশ পাল হত্যায় উস্কানিতে হত্যা হয়েছে বলে সিবিআইয়ের দাবি। যদিও অভিযুক্তরা আদালতে নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।
