দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়েই কড়া বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। দুর্নীতি রুখতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপও নিয়েছেন তিনি। এবার প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনতে আরও কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। একযোগে রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ধান-চাল বন্টন থেকে শুরু করে ত্রিপল বিতরণের ক্ষেত্রে একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, রয়েছে বালি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও। এরপরেই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসাবে একেবারে চারজনকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ধান-চাল বন্টন থেকে শুরু করে ত্রিপল বিতরণের ক্ষেত্রে একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, রয়েছে বালি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগও।
২০২৩-২৪ অর্থবছর, রাজ্যের মসনদে সেই সময় তৃণমূলের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ধান সংগ্রহ এবং চাল সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। শুরু হয় তদন্ত। আর সেই তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। দেখা যায়, সরকারি ধানের সমপরিমাণ চাল রাইস মিলগুলির কাছ থেকে নেওয়াই হয়নি। এক্ষেত্রে নজরদারি অভাব ছিল বলেও তদন্তে উঠে আসে। এরপরেই নজরদারি-সহ একাধিক বেনিয়মের ক্ষেত্রে দুই আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে খাদ্য দপ্তর সূত্রে খবর। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু রাইস মিলের বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।
শুধু খাদ্য দপ্তরেই 'ঘুঘুর বাসা' ভাঙা নয়, ত্রিপল দেওয়ার ক্ষেত্রেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেই সমস্ত অভিযোগে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের এক শীর্ষ আধিকারিককেও সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে খবর। ঠিক মতো হিসাব দিতে না পারা-সহ বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বালি দুর্নীতি রুখতেও কড়া শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অনিয়মের অভিযোগে এক বিএলআরওকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়ম উঠে আসে। এরপরেই ওই বিএলআরও'কে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে খবর।
