shono
Advertisement
Samik Bhattacharya

'আমরা সংযত, তাই ওরা অক্ষত', অভিষেককে হেনস্তা 'স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ' বললেন শমীক

বিজেপির রাজ্য সভাপতির স্পষ্ট বার্তা, ''ঘটনায় দূর দূর পর্যন্ত বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষের জনরোষ।''
Published By: Kousik SinhaPosted: 06:12 PM May 30, 2026Updated: 06:39 PM May 30, 2026

ভোট পরবর্তী হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজে যারা যুক্ত থাকবেন তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। রাজ্যে পালাবদলের পরেই কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এরমধ্যেই আজ, শনিবার সোনারপুরে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম, উঠল ‘চোর’ স্লোগানও। ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে উঠতেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির স্পষ্ট বার্তা, ''ঘটনায় দূর দূর পর্যন্ত বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষের জনরোষ।'' এই প্রসঙ্গে পূর্বতন সরকারের সময়ের পরিস্থিতিও তুলে ধরেন।

Advertisement

এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘‘আজ বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলেই তৃণমূলের নেতারা অক্ষত রয়েছেন। ওরা যে পরিমাণ অত্যাচার মানুষের উপর করেছে, আমাদের জেলা সভাপতি, আমাদের দলের কর্মীদের উপর করেছে, তারপর আমরা ছিলাম বলেই ওদের বিধায়ক-সাংসদরা এখনও এই অবস্থায় আছেন। অন্য কোনও দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে বলার সুযোগ পেতেন না।'' এই প্রসঙ্গে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার মডেলকেও কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, ''কীসের ডায়মন্ড হারবার মডেল? কেন ফলতায় প্রচারে আসেননি?'' অন্যদিকে এই ঘটনার পর সবাইকে শান্ত থাকার বার্তা দিয়ে শমীক ভট্টাচার্য জানান, এখনও বলছি, হিংসার পথ ছাড়ুন। সবাইকে শান্তিতে থাকতে দিন।

বলে রাখা প্রয়োজন, আজ সোনারপুরে নিহত দলীয় কর্মীকে দেখতে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে যাওয়ার পথেই প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। প্রথমে কামালগাজির কাছে তাঁকে মহিলারা কালো পতাকা দেখান। এরপর সোনারপুর ঢুকতেই অভিষেককে ডিম ছোড়া হয়, ওঠে ‘চোর’ স্লোগান। এরইমধ্যে গাড়ি থেকে নেমে একটি বাইকে চড়ে গন্তব্যে যেতে চাইলে সেখানেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। মাথায় হেলমেট থাকায় ডিম এসে পড়ে তাঁর মাথায়। শুধু তাই নয়, জামা ছিঁড়ে মারধর করা হয় অভিষেককে। সেই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল। যদিও এত বাধা অতিক্রম করেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে যান তিনি। 

সেখানেই অভিষেক জানান, ‘‘এই হল ডবল ইঞ্জিনের নমুূনা। সবাই চেয়েছিল, ডবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার মৃতদেহ এখান থেকে বেরবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি।কিন্তু এই পরিবারের উপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এঁদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।আমি এই ঘটনা নিয়ে হাই কোর্টেও যাব, সুপ্রিম কোর্টেও যাব।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement