বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর রাজ্যে চালু কেন্দ্রের 'বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও' প্রকল্প। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য এবার থেকে মিলবে কেন্দ্রের যাবতীয় সুবিধা। আজ, ১৪ আগস্ট 'কন্যারত্ন' দিবস পালনে তা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বড় ঘোষণা, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলছাত্রীরা বছরে ১০০০ টাকার বদলে পাবে ২০০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আপাতত চলতি বছর তা হাজার টাকা করেই মিলবে। আজ, শুক্রবারই রাজ্য সরকারের তরফে তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০০ কোটি টাকা স্কুলগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেওয়া হবে। তা আজ থেকেই হাতে পাবেন ছাত্রীরা।
আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘‘এতদিন 'কন্যাশ্রী' নামে যে প্রকল্প ছিল, তা আমরা 'কন্যারত্ন' নাম দিলাম। আমাদের ছোট ছোট মেয়েরা সকলে রত্ন। আমি চাই, তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করে সকলে মাতঙ্গিনী হাজরার মতো ব্যক্তিত্ব হোক। তার জন্য সরকার সবরকম সুবিধা দেবে। স্কুলপডুয়াদের সুবিধায় হেল্পলাইন নং চালু হল। নম্বরটি ১৮১। আজ থেকে কেন্দ্রের 'বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও' প্রকল্পের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হল বাংলা। এবছর আমরা স্কুলছাচ্রীদের জন্য এককালীন ১০০০ টাকা করে দেব। মোট ২০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রী এই অর্থ পাবে। তার জন্য ৪০০ কোটি টাকা আমরা আজই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিচ্ছি। পরের শিক্ষাবর্ষ, ২০২৭ সাল থেকে এই অর্থ দ্বিগুণ অর্থাৎ বছরে ২০০০টাকা করে দেওয়া হবে।''
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে স্কুল থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত ছাত্রীদের পড়াশোনা কার্যত নিখরচায় হতো। স্কুলছাত্রীরা বছরে ১০০০ টাকা করে বৃত্তি পেত। তা 'কন্যাশ্রী ওয়ান বা কে ১' ছিল। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করলে এককালীন ২৫ হাজার টাকা পাওয়া যেত সরকারের তরফে। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও কে ২ স্কলারশিপ ছিল। এসব সরকারি বৃত্তির সহযোগিতায় রাজ্যে মেয়েদের শিক্ষার প্রসার ঘটেছিল বলে দাবি করেছিল প্রাক্তন সরকার।এবার রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসায় ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হয়েছে। এতদিন যেসব কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল, তা এবার পাবেন সকলে।
স্কুলছাত্রীদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী। ১৪ আগস্ট, শুক্রবার, ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে।ছবি: কৌশিক দত্ত
সেই অনুযায়ী, মোদি সরকারের 'বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও' প্রকল্পটি চালু হল বঙ্গে। আজ, ১৪ আগস্ট 'কন্যারত্ন' দিবসে তা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘‘এতদিন 'কন্যাশ্রী' নামে যে প্রকল্প ছিল, তা আমরা 'কন্যারত্ন' নাম দিলাম। আমাদের ছোট ছোট মেয়েরা সকলে রত্ন। আমি চাই, তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করে সকলে মাতঙ্গিনী হাজরার মতো ব্যক্তিত্ব হোক। তার জন্য সরকার সবরকম সুবিধা দেবে। স্কুলপডুয়াদের সুবিধায় হেল্পলাইন নং চালু হল। নম্বরটি ১৮১। আজ থেকে কেন্দ্রের 'বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও' প্রকল্পের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হল বাংলা। এবছর আমরা স্কুলছাচ্রীদের জন্য এককালীন ১০০০ টাকা করে দেব। মোট ২০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রী এই অর্থ পাবে। তার জন্য ৪০০ কোটি টাকা আমরা আজই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিচ্ছি। পরের শিক্ষাবর্ষ, ২০২৭ সাল থেকে এই অর্থ দ্বিগুণ অর্থাৎ বছরে ২০০০টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া 'বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ' যেটা ছিল, এককালীন ২৫ হাজার টাকা, তা পাবে উচ্চশিক্ষারত ছাত্রীরা।''
