আমি নয়, আমরা নীতিতে চলতে হবে সকলকে, বিজেপি এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী। আজ রবিবার নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির প্রশিক্ষণ শিবিরে কর্মীদের এই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির সংকল্প পত্রে থাকা সব প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে বলেও জানান তিনি। দু'চোখ খোলা রেখে সরকারের সব কাজের মূল্যায়নে নজরদারি চালানোর জন্য বিজেপি কর্মীদের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যে বিজেপির সংগঠন মজবুত করতে রবিবার নিউটাউনে কর্মীদের নিয়ে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করে বিজেপি। এই দলীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্য নেতৃত্ব। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানান শুভেন্দু। বাংলার উন্নয়নে সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলার বার্তা দেন শুভেন্দু। সরকারের নেতা হিসেবে বিজেপির সর্বস্তরের সংগঠনের কাছ থেকে সহযোগিতা প্রার্থনা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকার ও দলের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। জনপ্রতিনিধি ও সংগঠনের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সরকারের জনকল্যাণমূলক পরিষেবা যাতে সমাজের সর্বস্তর পর্যন্ত পৌঁছতে পারে তা দেখার জন্য কর্মীদের বার্তা দেন তিনি। এছাড়াও তিনি জানান, বিজেপির সংকল্প পত্রে থাকা সব প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। কর্মী সমর্থকদের সংযত থাকতে হবে। কর্মীদের একাংশের মধ্যে নেতাবাচক ভাবনা দূর করার বার্তাও দেন মুখ্য়মন্ত্রী। কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, "আমি চাই আপনারা দু'চোখ খোলা রেখে সরকারের সব কাজে, সহযোগিতা, পরামর্শ, খবরাখবর দেওয়া, এবং সর্বপরি নজরদারি চালানোর কাজ করুন।"
এদিনের কর্মসূচি থেকে ফের একবার দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, "যেখানে হাত দিচ্ছি সেখানেই দুর্নীতি। এবার তো দেখছি ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে জেল বানাতে হবে।" তাঁর অভিযোগ, ৩ লক্ষ পুরুষ লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পেতেন। শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে সাড়ে ৪ হাজার পুরুষ এই প্রকল্পের টাকা পেতেন। তৃণমূল আমলে বিধবা ভাতার টাকাও পুরুষরা পেতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
