রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কর্মচারীদের পিএফ ফান্ড পরিচালিত হবে রাজ্যের আইন অনুযায়ী। বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিলে সংশোধন আনল রাজ্য সরকার। আজ, শনিবার এই সংশোধন আনা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামিদিনে ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে একইভাবে এই সংশোধনী আনা হবে বলে জানিয়েছেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
এই বিষয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে মন্ত্রী আরও জানান, ''আগের সরকার এই ক্ষেত্রে একেবারেই যত্নশীল ছিল না। তবে এই সরকার সবটা ঠিক করবে।''
তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হয় বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়। যা কিনা রাজ্য সরকারের অধীনে। দেখা যায়, বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে আইন তৈরি হয়, তা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকেই ছেপে দিয়েই। মন্ত্রীর অভিযোগ, ৭৫ সালের আইনকে ২০২৫ সালে ছেপে দেওয়া হল। আর এখানেই তৈরি হয় জটিলতা। বিশেষ করে পিএফ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৈরি হয় সমস্যা। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, কেন্দ্র তাদের পিএফ এক ভাবে গভর্ন করে, রাজ্য আলাদাভাবে করে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন টুকতে গিয়ে সব এক হয়ে যায় বলে দাবি মন্ত্রীর। তাঁর কথায়, রাজ্যের অধীন যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি রয়েছে, তাদের কর্মচারীদের গভর্ন কেন্দ্রের মতো হয়ে গেছিল। কিন্তু তাদের আচরণ ছিল রাজ্য সরকারের আওতাধীন। ব্যাপক জটিলতা তৈরি হয়, আজকে সংশোধনী এনে তা মেটানো হল।
শুধু তাই নয়, আগামিদিনে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্ষেত্রেও পিএফ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে সেটা রাজ্য সরকারই ঠিক করবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ''২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে পিএফ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে সেটা আমরা ঠিক করব।'' এই বিষয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে মন্ত্রী আরও জানান, ''আগের সরকার এই ক্ষেত্রে একেবারেই যত্নশীল ছিল না। তবে এই সরকার সবটা ঠিক করবে।''
