মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিজের হাতে যে একাধিক দপ্তর রাখবেন তা জানাই ছিল। সেই সম্ভবনাই সত্যি করে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর নিজের হাতে রাখলেন তিনি। ইতিমধ্য়েই রাজ্য মন্ত্রিসভায় দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু নিজের হাতে রেখেছে স্বরাষ্ট্র, ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু ত্রাণ ও পুনর্বাসন, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি এবং কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর। এই সবকটি দপ্তরই খুব গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও যে দপ্তরগুলি অন্যান্য মন্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি সেগুলির দায়িত্বও থাকবে শুভেন্দুর হাতেই।
মুখ্যমন্ত্রী যে দপ্তরগুলি নিজের হাতে রাখলেন তার মধ্যে স্বরাষ্ট্র সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরও নিজের হাতে রেখেছেন তিনি। গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে নিশীথ প্রামাণিক, অগ্নিমিত্রা পল, ক্ষুদিরাম টুডু, দিলীপ ঘোষ ও অশোক কীর্তনীয়া মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। আগেই তাঁদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয়েছিল। গত ১ জুন মন্ত্রিসভার বাকি ৩৫ জন মন্ত্রী শপথ নেন। কিন্তু তাঁদের দপ্তর সেদিন বণ্টন হয়নি। অবশেষে আজ সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত করা হল।
প্রথমে ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর নিশীথ প্রামাণিককে দেওয়া হয়েছিল। পূর্ণ তালিকায় তার দপ্তরের বদল হয়েছে। ক্রীড়া দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইন্দ্রনীল খাঁকে। নিশীথকে দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব। আবার অগ্নিমিত্রা পলের কাছে আগে দু'টি দপ্তর ছিল। তার মধ্যে নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর মালতী রাভা রায়কে দেওয়া হয়েছে। অগ্নিমিত্রার কাছে রয়েছে শুধু পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। এছাড়াও তাপস রায় পেয়েছেন বাণিজ্য দপ্তর। অর্জুন সিং শ্রম ও পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী হয়েছেন। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত। স্বাস্থ্যদপ্তর পেয়েছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
