ব্রিটিশদের থেকেও বেশি অত্যাচার চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২৬ সালে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতার স্বাদ পেল বাংলা। দমদমে বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে তৃণমূলকে এভাবেই আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আপনারা ডাকাতকে হারিয়ে দিয়েছেন। এখন তোষণের রাজনীতি মুক্ত হয়েছে বাংলা। রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।"
৩৪ বছর বাম সরকার ও ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলা অনেক পিছিয়ে পড়েছে। সেই কারণে নতুন করে এই রাজ্যকে গড়ে তুলতে হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, নতুন সরকার গঠনের পর এখনও একমাসও কাটেনি। মাত্র ২৮-২৯ দিনেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও সীদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ক'দিনের মধ্যেই ৫০ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা। জল জীবন মিশন প্রকল্পের আওতায় বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফকে জমি দেওয়া হয়েছে। মেট্রোর কাজে গতি এসেছে। ওয়াটার মেট্রোয় ছাড়পত্র মিলেছে। ধীরে ধীরে বিজেপির সংকল্পপত্রে থাকা সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে বলে জানান শুভেন্দু।
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই দুর্নীতি, বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে বিজেপি সরকার। এই সব অভিযোগে ইতিমধ্যেই একাধিক গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, চোর, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে শাসকের আইন নয় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ এগিয়ে এলে সরকার সফলতা পাবে বলেও জানান শুভেন্দু।
এই কর্মসূচি থেকে ফের একবার তৃণমূলকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, "ভাইপোর সব টেনিয়া পালিয়েছে। তৃণমূল পার্টিটা উঠে গিয়েছে। আমাদের কথা খরচ করতে হচ্ছে না। ওঁরা নিজেরাই.. বাকিটা আর বলছি না।"
