নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চলাকালীন নিজের মোবাইল পুকুরে ছুড়ে ফেলেছিলেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। কয়লা কাণ্ডের (Coal Scam) তদন্তেও কার্যত একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি! এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশির সময় নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেন কয়লা পাচার মামলায় ধৃত কয়লা মাফিয়া কিরণ খাঁ। সেই ভাঙা ফোন উদ্ধার করে ফরেনসিকে পাঠালো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই ফোনে থাকা তথ্য কয়লা পাচার মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে! আর সেই তথ্য উদ্ধার করতেই ভাঙা ফোনটি ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
কয়লা পাচার (Coal Scam) মামলার তদন্তে নেমে গত কয়েকদিন আগেই দুই কয়লা মাফিয়া চিন্ময় মণ্ডল এবং কিরণ খাঁকে গ্রেপ্তার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সম্পর্কে দুজনেই মামা-ভাগ্নে। ইডি হেফাজত শেষে নতুন কয়লা পাচারের মামলায় অভিযুক্ত দুই কয়লা মাফিয়া চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ'কে বিচারভবনে আদালতে তোলা হয়। ইডির তরফে চিন্ময় মণ্ডলের জন্য আরও পাঁচদিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নেমে গত কয়েকদিন আগেই দুই কয়লা মাফিয়া চিন্ময় মণ্ডল এবং কিরণ খাঁকে গ্রেপ্তার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সম্পর্কে দুজনেই মামা-ভাগ্নে। ইডি হেফাজত শেষে নতুন কয়লা পাচারের মামলায় অভিযুক্ত দুই কয়লা মাফিয়া চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ'কে বিচারভবনে আদালতে তোলা হয়।
এদিকে, কিরণ খাঁ'কে জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানিয়ে ইডির তরফে আদালতে জানানো হয় যে, যেহেতু তিনি নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন, তাই তাঁর মোবাইলটি ফরেনসিকে পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিকের রিপোর্ট এলে ফের তাঁকে ইডি নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে। চিন্ময় মণ্ডলকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইডি হেফাজত ও কিরণ খাঁকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
ইডি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে টন পিছু ৪০০ থেকে ১৫০০ টাকার রেট চার্ট উদ্ধার হয়েছে। প্রত্যেক টনের ভিত্তিতে তোলাবাজি চালানো হত বলে অভিযোগ। এই তোলাবাজির কালো টাকা দানের টাকা হিসাবে দেখিয়ে সাদা করার চেষ্টা হত।
দুর্গাপুর ও আসানসোলে হওয়া কয়লা পাচার নিয়ে প্রথমে ৪৭টি ও পরে আরও সাতটি অভিযোগের ভিত্তিতে ইডি তদন্ত শুরু করে। আদালতে ইডির দাবি, ঝাড়খণ্ড ও এই রাজ্যে কয়লা পাচারের সিন্ডিকেটের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখেই অপরাধে যুক্ত ছিল। ঝাড়খণ্ডের বেআইনি খাদান ও খনি থেকে কয়লা তুলে ভুয়া চালানের মাধ্যমে এই রাজ্যের পাচার করা হত। পদ্ধতিগতভাবে তোলাবাজি করা হত বলে অভিযোগ ইডির। ধৃত অভিযুক্তরা এই সিন্ডিকেটের মাথা বলে দাবি ইডির।
ইডি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে টন পিছু ৪০০ থেকে ১৫০০ টাকার রেট চার্ট উদ্ধার হয়েছে। প্রত্যেক টনের ভিত্তিতে তোলাবাজি চালানো হত বলে অভিযোগ। এই তোলাবাজির কালো টাকা দানের টাকা হিসাবে দেখিয়ে সাদা করার চেষ্টা হত। দুর্নীতির মাধ্যমে ধৃত কয়লা মাফিয়ারা কত সম্পত্তি বানিয়েছেন, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে। কোথায় ও কাদের নামে ওই সম্পত্তিগুলি রয়েছে, তা জানার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইডি।
