শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বারুইপুর কাণ্ড-সহ একাধিক ইস্যুর প্রতিবাদে আজ দুপুরে কলকাতার বুকে মিছিলে হাঁটবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতার এই প্রতিবাদকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছে না শাসকদল। এদিন সকালে খোঁচা দিয়ে দিলীপ ঘোষ বললেন, "সঙ্গে যাওয়ার তো কেউ নেই। একা মর্নিং ওয়াকে যাবে, যাক।" পাশাপাশি এদিন দাবাং দিলীপের গলায় শোনা গেল হুঙ্কার। অপরাধীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বললেন, "কাউকে রেয়াত করা হবে না।"
তৃণমূল জমানায়, গত ১৫ বছরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। পার্কস্ট্রিট, কামদুনি, হাঁসখালি থেকে অভয়া কাণ্ড, প্রতিক্ষেত্রেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিষয়গুলোকে ‘ছোট ঘটনা’ বলে প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন। কখনও নির্যাতিতার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কখনও নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় তিনি বলেছেন, ‘লাভ অ্যাফেয়ার ছিল’। অভয়া কাণ্ডের প্রতিবাদে যখন গোটা বাংলা রাস্তায় নেমেছিল, সেটাকে ‘হুজুগ’ বলে দাগিয়েছিলেন তিনি। একটা সময়ের পর আন্দোলন ভুলে সকলকে উৎসবে ফিরতে বলেছিলেন। পালাবদল হতেই যেন উলটো সুর! বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামতে মরিয়া তিনি। অনুমতি চেয়ে ছুটেছিলেন হাই কোর্টে। শর্তসাপেক্ষে অনুমতিও মিলেছে।
আজ, বুধবার বেলা ২.৩০ টেয় বালিগঞ্জ থেকে শুরু হবে মিছিল। সাড়ে চারটের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। এপ্রসঙ্গে এদিন দিলীপ বলেন, "উনি মিছিল করবেন বলছেন, কিন্তু হাঁটবে কে? ওনার সঙ্গে তো কেউ নেই। একা মর্নিক ওয়াকে যাবে, যাক! কী আছে।" এরপরই বারুইপুর কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন দিলীপ। তিনি বলেন, "বাংলায় এতদিন দোষীরা শাস্তি পায়নি, তাই অপরাধটা সামাজিক ব্যধিতে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু আর ওসব চলবে না। কাউকে ছাড়া হবে না। যারা অন্যায় করেছে সকলে শাস্তি পাবেই। মানুষ এবার শান্তিতে থাকবে বাংলায়।"
