ভোটের আবহে বাংলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকাল থেকে দফায় দফায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। করা হয় জিজ্ঞাসাবাদও। এরপরেই জয়কে আটক করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে খবর। আর্থিক তছরূপ মামলায় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর।
এদিন ভোরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডির একাধিক দল বের হয়। তার মধ্যে একটি দল বেহালায় পৌঁছে যায়। বেহালায় ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অভিযোগ, ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও দীর্ঘক্ষণ কারও দেখা পাননি আধিকারিকরা। বাইরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তদন্তকারীদের। দীর্ঘক্ষন বাদে খোলা হয় দরজা। জানা যাচ্ছে, প্রমোটিং ব্যবসার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত জয় কামদার। বেআইনি নির্মাণ সংস্থা একটি মামলায় এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা।
দীর্ঘ তল্লাশিতে এক কোটি টাকারও বেশি নগদ উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যেই এই মামলায় বেশ কিছু তথ্য হাতে আসে ইডি আধিকারিকদের। গত কয়েকদিন ধরে কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালান। সেই তল্লাশিতে নতুন করে জয়ের নাম উঠে আসে। এরপরেই তাঁকে নোটিস দেয় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। একাধিকবার তলব করা হয়। কিন্তু তা বারবার জয় এড়িয়ে যাচ্ছিল বলে দাবি। এরপরেই এদিন সকালেই তাঁর বেহালার বাড়িতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে বলে খবর। এরপরেই জয়কে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।
অন্যদিকে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতেও এদিন সকাল থেকে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরেই এদিন এই তল্লাশি অভিযান চলছে বলে খবর।
