ভোটের (Bengal Election 2026) আগে কলকাতায় টাকার পাহাড়! এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশ চালিয়ে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার (Cash Recovery) করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জমি দখল করে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আজ বুধবার সকাল থেকে তল্লাশি শুরু করে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। সোনা পাপ্পুর বাড়ি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। তল্লাশি চলে নির্মাণ সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতেও। আর সেই সময় বিপুল এই টাকা উদ্ধার হয়। শুধু তাই নয়, সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করেছেন ইডি আধিকারিকরা।
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন (Bengal Election 2026)। তার আগেই রাজ্যে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জমি দখল করে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পু-সহ বেশ কয়েকজনের নাম হাতে আসে গোয়েন্দাদের। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, কসবা, বালিগঞ্জ এলাকায় একাধিক সিন্ডিকেটের রাশ সোনা পাপ্পুর হাতে! এমনকী নির্মাণ সংস্থাগুলির কাছ থেকেও তিনি মোটা অঙ্কের টাকা তুলতেন বলে জানতে পারেন। আর সেই সূত্র ধরেই আজ বুধবার সাতসকালে সোনা পাপ্পুর বালিগঞ্জের ফার্ন রোডের বাড়িতে হানা দেয় ইডির আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, সোনা পাপ্পুর বাড়ির পাশাপাশি বালিগঞ্জের এক সংস্থার কর্তা, তাঁর অফিস-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। আর সেই তল্লাশি চলাকালীনই ওই সংস্থার কর্তা থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা উদ্ধার হয়। ইডি সূত্রে খবর, বিপুল এই অর্থের উৎস কি তা স্পষ্টভাবে ওই ব্যবসায়ী জানাতে পারেননি বলেই খবর।
উল্লেখ্য, গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডের গুলি ও বোমা চলার ঘটনায় উঠে আসে সোনা পাপ্পুর নাম। এলাকার মানুষের কাছে পাপ্পু নামেই পরিচিত ছিলেন বিশ্বজিৎ। ধীরে ধীরে অপরাধের জগতে নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার! শুধু তাই নয়, কসবা, তোপসিয়া এলাকায় ‘ত্রাস’ হয়ে ওঠেন এই সোনা পাপ্পু। এর মধ্যেই ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখলের নামে যে সংঘর্ষ হয়েছিল, তাতেই এই পাপ্পুর নাম সামনে আসে। শুধু তাই নয়, পরে ২০১৭ তে একটি খুনের মামলাতেও তাঁর নাম জড়ায়। একটি পৃথক এফআইআরে নাম ছিল তাঁর। এছাড়াও একাধিক মামলা রয়েছে ‘ফেরার’ সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে।
