কেউ ভুগছেন কঠিন অসুখে, কারও আবার পেনশনের টাকায় সংসার চালাতে হিমশিম অবস্থা। রাজনীতি করবেন কী? সংসারের ঘানি টানতে গিয়েই করুণ অবস্থা। তাই পেনশন বৃদ্ধির দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর দ্বারস্থ হতে চলেছেন প্রাক্তন বিধায়করা (Former MLA Pension)। শুক্রবার বিধানসভায় এনিয়ে প্রাক্তন বিধায়কদের একটি বৈঠক ছিল। শুধু বাম-কংগ্রেস নয়, তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়করাও ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বলে খবর।
মহারাষ্ট্রে প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন ৫০ থেকে ৭০ হাজার, ঝাড়খণ্ডে ৪০ থেকে ৭৫ হাজার, উত্তরাখণ্ড ও কর্নাটকেও সম পরিমাণ অর্থ মেলে পেনশন বাবদ। সেখানে বাংলায় প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন এখনও মাত্র ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকা। পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময় থেকেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন প্রাক্তন বিধায়করা। কিন্তু কর্ণপাত করেননি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী।
মহারাষ্ট্রে প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন ৫০ থেকে ৭০ হাজার, ঝাড়খণ্ডে ৪০ থেকে ৭৫ হাজার, উত্তরাখণ্ড ও কর্নাটকেও সম পরিমাণ অর্থ মেলে পেনশন বাবদ। সেখানে বাংলায় প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন এখনও মাত্র ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকা। পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময় থেকেই দাবি জানিয়ে আসছিলেন প্রাক্তন বিধায়করা। কিন্তু কর্ণপাত করেননি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশনের অঙ্ক বাড়ানোর বিষয়টি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছিলেন। এবার সরকার বদল হতেই পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও অধ্যক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাক্তন বিধায়করা।
সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়কদের ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা পেনশন করার অনুরোধ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও অধ্যক্ষ চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন বলে বিধানসভা সূত্রে খবর।
সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়কদের ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা পেনশন করার অনুরোধ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও অধ্যক্ষ চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। পেনশন ছাড়াও বিধায়ক হস্টেলের ভাড়া নিয়েও সরব হবেন তাঁরা। কারণ বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত বা দলের কাজে জেলা থেকে কলকাতা এসে থাকতে হয় প্রাক্তন বিধায়কদের। এমএলএ হস্টেলে থাকতে গেলে রাত প্রতি ৬০০ টাকা গুণতে হয়। এই ভাড়া কমানোর দাবি করা হবে বলে জানান কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী।
