ফলতার নির্বাচনের আগে স্বস্তি তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের (Jahangir Khan)। আগামী ২৬ মে পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না বলে জানাল কলকাতা হাই কোর্ট। তবে তদন্তে জাহাঙ্গি খানকে সবরকম সহযোগিতা করতে বলে জানিয়েছে আদালত। আজ, সোমবার বিচারপতি সুগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালতের নির্দেশ, এখনও পর্যন্ত তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ৫টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। সেই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই রক্ষাকবচ মিলবে। আগামী ২৬ মে, ফের এই মামলার শুনানি হবে। মামলার গতিপ্রকৃতি কোনদিকে মোড় নেয় সেদিকেই নজর এখন সবার।
শুনানি শেষে আদালতের নির্দেশ, এখনও পর্যন্ত তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ৫টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। সেই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই রক্ষাকবচ মিলবে। আগামী ২৬ মে, ফের এই মামলার শুনানি হবে।
এদিন মামলার শুনানিতে জাহাঙ্গির খানের (Jahangir Khan) আইনজীবী অভিযোগ করে জানান, মামলার পর মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আইনজীবী। জাহাঙ্গির আইনজীবী জানান, সেই সময় তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্ট। ফলে এখন কেন পাওয়া যাবে না তা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন? একইসঙ্গে আইনজীবীর আরও দাবি, ৯ বছরের পুরানো ঘটনা নিয়ে মামলা দায়ের হচ্ছে এখন। একদিনের মধ্যে ৩ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঠিক কতগুলি মামলা দায়ের আছে সেটা জানানোর আবেদন জানান তৃণমূল নেতার আইনজীবী।
পালটা রাজ্যের আইনজীবীর যুক্তি, নির্বাচনের দিন জাহাঙ্গির খান এবং তাঁর অনুগামীরা কি কি ঘটনা ঘটিয়েছে সেটা দেখা হোক। ভোটারদের ভয় দেখানো, বুথ দখল এবং ব্যালট বিকৃত করার অভিযোগ রয়েছে। এই অবস্থায় কমিশন বাধ্য হয়ে নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে করার নির্দেশ দিয়েছে। যদিও এক্ষেত্রে বিচারপতি পর্যবেক্ষণে জানান, নির্বাচন একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মামলাকারীকে সুযোগ দিতে হবে। এরপরেই ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাঙ্গির খানকে রক্ষাকবচ দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে ফলতায় নির্বাচনে গিয়ে সরাসরি জাহাঙ্গির খানকে হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী ভোটের পর দেখে নেওয়ারও হুঁশিয়ারি শোনা যায় তাঁর মুখে। এরপরেই এদিন গ্রেপ্তারির শঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা।
