জয়প্রকাশ মজুমদারের পর কৃষ্ণা চক্রবর্তী। এবার বাড়ির একাংশ দখলের অভিযোগ উঠল বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়রের বিরুদ্ধে। অনাবাসী ভারতীয় দীপঙ্কর সেনগুপ্তর আইনজীবী বিকাশ কোঠারি গত ৩০ জুলাই কৃষ্ণার বিরুদ্ধে বিধাননগর পূর্ব থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
দীপঙ্কর সেনগুপ্ত পতুর্গালে থাকেন। সল্টলেকের সি জে ব্লকে তাঁর একটি বাড়ি আছে। সারাবছর বাড়িটি ফাঁকাই থাকে। মাঝেমধ্যে দীপঙ্করবাবু দেশে ফিরলে ওই বাড়িতে থাকেন। বছর কয়েক আগে ওই বাড়িতে আত্মীয়র অনুরোধে সৃজনী ভট্টাচার্য মুখোপাধ্যায় নামে এক তরুণীকে থাকতে দেন। ২০২৪ সালে দীপঙ্করবাবু দেশে ফেরেন। তরুণীকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলেন। অভিযোগ, তরুণী বাড়ি ছাড়েননি। উলটে বাড়ির যে অংশে থাকতেন, সেদিকে নিজে তালা দিয়ে রাখতেন। এমনকী কৃষ্ণা 'ঘনিষ্ঠ' বলে দাবি করে বৃদ্ধকে রীতিমতো হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ।
২০২৫ সালে সল্টলেকের ওই বাড়িতে তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে যান অনাবাসী ভারতীয় আইনজীবী। অভিযোগ, তরুণী তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। তিনি আসবাব-সহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করে দেন বলেও অভিযোগ। গত ডিসেম্বরে নাকি বৃদ্ধর আইনজীবী সৃজনীর কাছ থেকে একটি ফোন পান। ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা মহিলা নিজেকে বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা বলে পরিচয় দেন। তরুণী বাড়ি ছাড়লে এক কোটি টাকা দিতে হবে বলেও জানায়। ইতিমধ্যে আবার সৃজনীর মধ্যস্থতায় কৃষ্ণা অনুগামীদের হাতে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় বলেও দাবি। এরপর পুলিশের দ্বারস্থ হন অনাবাসী ভারতীয়র আইনজীবী। তবে অভিযোগ জানিয়ে লাভ হয়নি কিছুই। সরকারের পালাবদলের পর বিধাননগর পূর্ব থানায় তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের করা হয়। যদিও এই প্রসঙ্গে কৃষ্ণা চক্রবর্তীর তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
