shono
Advertisement
Municipal recruitment scam

'আপত্তি গ্রাহ্য করেননি সুজিত', পুর নিয়োগে বিস্ফোরক দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়

ইডি হেফাজতের পরে বৃহস্পতিবার সুজিত বসুকে ফের বিচারভবনে তোলা হয়। ৪ জুন পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Published By: Subhankar PatraPosted: 10:13 AM May 22, 2026Updated: 10:48 AM May 22, 2026

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়। তিনি জানিয়েছেন, পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে অয়ন শীলের সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে আপত্তি ছিল তাঁর। কেন বাইরের সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস তাঁর সেই আপত্তি গ্রাহ্য করেননি বলে বয়ান দিয়েছেন তিনি।  এ দিকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান নিতাই দত্তকে দু'বার তলব করা সত্ত্বেও তিনি মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন। সুজিত বসুর সঙ্গে নিতাই দত্তর বক্তব্য যাচাইয়ের প্রয়োজন বলে আদালতে দাবি করেছে ইডির। পাশাপাশি সুজিত বোসকে ৪ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement

পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে দু 'কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ এনেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার জন্য আবেদন করেন ইডির আইনজীবী। প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিনের আবেদন জানিয়ে তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পালটা দাবি করেছন তাঁর আইনজীবী। 

ইডি হেফাজতের পরে বৃহস্পতিবার সুজিত বসুকে ফের বিচারভবনে তোলা হয়। ইডির আইনজীবী যখন নিজের বক্তব্য পেশ করার সময় সুজিত বসুর আইনজীবীর তরফ থেকে বারবার বাধা ও হস্তক্ষেপ আসতে থাকে বলে জানিয়েছে আদালতের সূত্র। এতে ক্ষুব্ধ হন ইডির আইনজীবী। তবে সুজিত বসুর আইনজীবী নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা চান। এ দিন ইডি আদালতে জানায়, এই মামলায় বিপুল টাকার বেআইনি লেনদেন হয়েছে।

প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা গোপাল চন্দ্র পোদ্দার নামে এক ব্যক্তির কাছে গিয়েছে, যার কোম্পানিতে গোপাল ও উত্তম সাহার নামে ৬৪% শেয়ার ছিল। এই পুর দুর্নীতি থেকে সুজিত বসু দু'কোটি টাকা লাভ করেছেন। অয়ন শীলের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল নথি থেকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর অবৈধ নিয়োগে সুজিত বসুর সরাসরি যোগ মিলেছে। তিনি তখন ওই পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। এই বিপুল দুর্নীতির টাকা কোথায় গিয়েছে তার তদন্তের প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ইডি। তদন্তকারী  সংস্থা আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত জেরায় অসহযোগিতা করেছেন। তিনি পরিবারের বিপুল সম্পত্তি ও আয়ের উৎসের দায় অন্যের উপর চাপানোর চেষ্টা করছেন। অভিযুক্ত প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট ও সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন বলে দাবি করে তাঁর জামিনের বিরোধিতা করেছে ইডি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement