স্টাফ রিপোর্টার: পশ্চিমবঙ্গের যে ক’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদ খালি পড়ে রয়েছে, সেখানে উপাচার্যের পদ নিজে সামলাবানে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। প্রসঙ্গত, পদাধিকারবলে রাজ্যপাল ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। বৃহস্পতিবার রাতে রাজভবন থেকে জারি করা একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে দেখা যাচ্ছে যে রাজ্যের কয়েকটি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে, যেখানে উপরাচার্যের পদ খালি রয়েছে, সেখানে পড়ুয়াদের ডিগ্রি সংশাপত্র এবং অন্যান্য নথি পেতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাদের সুবিধার জন্য রাজ্যপাল নিজে আচার্য হিসাবে তাঁর ক্ষমতায় ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করার জন্য ঘনঘন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন। শিক্ষার্থীদের কোনও অভিযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা তাদের অভিযোগগুলি amnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com ঠিকানায় ইমেল করতে পারে বা পিএইচ নং-এ পিস রুমে যোগাযোগ করতে পারে। একইসঙ্গে, ড. রাজ কুমার কোঠারি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী উপাচার্য নিযুক্ত হয়েছেন।
[আরও পড়ুন: গঙ্গার গ্রাসে একের পর এক বাড়ি, আতঙ্কে দিন গুজরান সামশেরগঞ্জের বাসিন্দাদের]
এদিকে কর্মচারী ইউনিয়নকে সংযত হওয়ার বার্তা দিলেন। অন্যদিকে রাজ্যপাল-আচার্য নিযুক্ত রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে কড়া ভাষায় তোপ দাগলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। রবীন্দ্রভারতীর কর্মচারীদের প্রতি তাঁর বার্তা, “যা সমস্যা, সব আলোচনার টেবিলে বসে মেটান। কোনও গোলযোগ বা ঝামেলায় যাবেন না।” বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রীর আরও সংযোজন, “এটা ঠিক যে একজন অনাহূত, অযাচিত মানুষ ওখানে বসে রয়েছেন। কিন্তু, তিনি তো রাজ্যের অতিথি। তাঁকে আমরা এভাবে অপমান করতে পারি না।” কর্মচারীদের প্রতি নিত্য হেনস্তার অভিযোগ তুলে ক্যাম্পাসে না গিয়ে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ শুরু করেছেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়।
ক্যাম্পাসে তাঁকে যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাতে তিনি ভীত বলে দাবি করেছেন সংবাদমাধ্যমে। তাঁর বক্তব্য, “এখন কোনও ঝামেলা নেই। তাও কে, কোথায়, কেন ভয় পাচ্ছে জানি না। কেন উনি এই ধরনের কথা বলছেন? এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে উপাচার্যরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া, স্ব-যাচিত এবং স্ব-প্রোথিত হয়ে আছেন, সেখানে কেবলমাত্র একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে হঠাৎ এরকম ভয়ের বাতাবরণ কেন হবে। মনে হচ্ছে, এটার মধ্যে অতিরঞ্জন আছে।”
এরমধ্যেই র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল রবীন্দ্রভারতীতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের বিরুদ্ধেই র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল। হিন্দি বিভাগের পাঁচ জন ছাত্রী অভিযোগ করেছেন উপাচার্য ও ডিন অফ স্টুডেন্টসের কাছে। আজ অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে।
