শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মহার্ঘ্যভাতা (DA) প্রদানের প্রক্রিয়া আরও একধাপ এগোল নবান্ন। সোমবার রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। চাওয়া হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের তালিকাও।
নির্দেশিকায় রেজিস্ট্রারদের জানানো হয়েছে, অর্থ দপ্তর ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের জন্য সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির প্রত্যেক কর্মচারী/পেনশনভোগীর বেতন ও ভাতা/পেনশনের বিবরণ, প্রতি মাসে কত টাকা মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণ দেওয়া হয়েছে, তার হিসেব চূড়ান্ত করতে হবে। এই তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডাটাবেস (এমএস-এক্সেল ফরম্যাটে) তৈরি করতে হবে। রেজিস্ট্রার ওই তথ্য ডিডিও-কে দিয়ে ‘সার্টিফাই’ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক কর্মচারী বা পেনশনভোগীর পরিচিতি তালিকা ও চাকরি বইয়ের ভিত্তিতে।
প্রসঙ্গত, ৩১ মার্চের মধ্যেই সরকারি কর্মীদের ২০১৬ থেকে ২০১৯, চার বছরের বকেয়া ডিএ-র টাকা মিটিয়ে দিয়েছে নবান্ন। গত সপ্তাহে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির কর্মী ও পেনশনভোগীদের ডিএ এবং ডিআর দেওয়া নিয়ে বৈঠকে বসেছিল অর্থদপ্তর। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রতিটি দপ্তরে ডিএ ও ডিআর পেতে পারেন এমন কর্মীর সংখ্যা কত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মী ও পেনশনভোগীদের প্রতি মাসে প্রকৃতপক্ষে কত ডিএ এবং ডিআর প্রদান করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য জোগাড়ের কাজ দপ্তরগুলিকে দ্রুত সেরে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার একাংশ অর্থাৎ পেনশনভোগীদের ডিএ দেওয়া নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এবার সরকারি পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য জারি হল নির্দেশিকা।
