আইসিসি নির্বাচন ঘিরে উত্তাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। দু’দল ছাত্রের সংঘর্ষে মধ্যে পড়ে জখম হলেন দুই অধ্যাপক। সেই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গড়লেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে একটি অনুসন্ধান কমিটি গড়া হয়েছে। তারা ঘটনার তদন্ত করবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
গত কয়েক দিন ধরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর উত্তাল অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি বা আইসিসি নির্বাচন ঘিরে। শুক্রবার বিকেলে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পড়ুয়া-শিক্ষকেরা। তার পরই সায়েন্স-আর্টস মোড়ের কাছে ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে শুরু হয় বিবাদ। সেখানেই মধ্যস্থতা করতে গিয়ে জখম হয়েছেন দুই অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহ এবং ললিত মাধব। রাজ্যেশ্বর যাদবপুরের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক।
দুই অধ্যাপককেই পার্শ্ববর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ললিত মাধবকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও রাজ্যেশ্বরের আঘাত বেশি ছিল। তাঁর চোখে ঘুষি মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। চশমার কাচ ভেঙে আঘাত লেগেছে নাকে। হাসপাতাল থেকেই রাজ্যেশ্বর বলেছিলেন, “দুই দল ছাত্রের মধ্যে গোলমাল হচ্ছিল। সে সময় ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্যই মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলাম। এই দু’দল ছাত্রের কেউই আমাকে আঘাত করেনি। বাইরে থেকে হঠাৎ কেউ এসে আমাকে মারধর করে।” অধ্যাপকের দাবি, বিবদমান ছাত্রেরাই আবার তাঁকে প্রাথমিক শুশ্রূষা করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, উই দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট (ডব্লিউটিআই) এবং এসএফআইয়ের মধ্যে গত কয়েক দিন ধরেই চাপানউতর চলছিল। এসএফআই সদস্য এক পড়ুয়ার দাবি, তাঁরা আইসিসি নির্বাচনের প্রচার চালাচ্ছিলেন। বিশেষত প্রথম বর্ষের পড়ুয়ারা এই নির্বাচনে সক্রিয় হয়েছে। সে বিষয়কে কেন্দ্র করেই গোলমাল চলছিল।
