shono
Advertisement
Kalyan Banerjee

পুরনোতেই আস্থা মমতার, কল্যাণকেই ফেরানো হল লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক পদে

২০২৫ সালের আগস্ট থেকে এই পদে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 09:39 PM May 14, 2026Updated: 09:43 PM May 14, 2026

ছাব্বিশের ভোটে উত্তর ২৪ পরগনার মতো শক্ত গড়েও তৃণমূল কংগ্রেসের ফলাফল আশাপ্রদ হয়নি। ৩৩টির মধ্যে মাত্র ৯টি আসন এসেছে ঘাসফুলের দখলে। বারাসত-সহ আশপাশের বেশিরভাগ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এরপরই দলের তরফে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ডানা ছাঁটা হল। একইসঙ্গে গুরুত্ব বাড়ল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে দলের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে এবিষয়ে জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। সূত্রের খবর, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বদলে লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক পদে ফিরিয়ে আনা হল বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এবার থেকে তিনিই চিফ হুইপের দায়িত্ব সামলাবেন। সঙ্গে থাকবেন দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

চব্বিশের লোকসভা ভোটের পর তৃণমূলের মুখ্য সচেতক করা হয়েছিল বর্ষীয়ান সাংসদ এবং দলের বহু পুরনো নেতা, আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। লোকসভার দলনেতা ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ২০২৫ সালে সংসদীয় দলে রদবদল আনা হয়। দলনেতার দায়িত্ব পান ডায়মন্ড হারবারের তিনবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য সচেতক পদে কল্যাণের পদে বসানো হয় বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। তাতে ক্ষোভে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে সঙ্গে ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন।

চব্বিশের লোকসভা ভোটে বিয়াল্লিশের মধ্যে ২৯ টি আসন জয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদীয় দল সাজিয়ে দিয়েছিলেন। মুখ্য সচেতক করা হয়েছিল বর্ষীয়ান সাংসদ এবং দলের বহু পুরনো নেতা, আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। লোকসভার দলনেতা ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ২০২৫ সালে সংসদীয় দলে রদবদল আনা হয়। দলনেতার দায়িত্ব পান ডায়মন্ড হারবারের তিনবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য সচেতক পদে কল্যাণের পদে বসানো হয় বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। তাতে ক্ষোভে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে সঙ্গে ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। গুঞ্জন শুরু হয়, তৃণমূলের আরেক সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সঙ্গে বচসার জেরে কল্যাণকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। ক্ষুব্ধ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলে সমন্বয়ের অভাবের কথা মনে করিয়ে কার্যত ভর্ৎসনা করেছিলেন। পরে কল্যাণের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলে তাঁকে বোঝান নেত্রী।

এরপর থেকে লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লোকসভা অধিবেশনে তৃণমূলের কাজ চলছিল। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর সংসদীয় দলও বদলে ফেললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনোতে আস্থা রেখেই ফের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেই লোকসভার চিফ হুইপ করা হল। যদিও ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের খারাপ ফলাফলের জন্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাককে বিস্তর দুষেছিলেন। সমালোচনা শোনা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও। এসবের পরও সংসদে তৃণমূলের রণকৌশল নিয়ে এগিয়ে যেতে তাঁর উপরই ভরসা রাখলেন দলনেত্রী।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement