shono
Advertisement
Firhad Hakim

উৎসব শেষ হলেও কাজ চলবে রাস্তা সারাইয়ের, জানালেন মেয়র, নজর ডেঙ্গু মোকাবিলাতেও

আর কী জানালেন ফিরহাদ?
Published By: Subhodeep MullickPosted: 01:58 PM Oct 04, 2025Updated: 03:20 PM Oct 04, 2025

স্টাফ রিপোর্টার: পুজো শেষ। বৃষ্টিও কমেছে। ডেঙ্গু রুখতে কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা পুরসভা। শুক্রবার ঘাট পরিদর্শনে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এদিন দুপুরে বাজেকদমতলা ঘাটে হাজির হন মেয়র। বিসর্জনের পাশাপাশি গঙ্গার দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও ঘাট সাফাইকার্য
এই সময় ডেঙ্গুর আশঙ্কা বেড়ে যায়। যদিও এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ শহরে দেখা যায়নি। তবে পুরসভা আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে।

Advertisement

এদিন মেয়র বলেন, "ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে পুরসভা কাজ করছে। এখন বৃষ্টি চলছে। ডেঙ্গুর দিকে নজর রাখা হচ্ছে। কোথাও জল জমে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল মেয়রকে। মেয়র জানান, এবার বর্ষার মধ্যে পুজো পড়ে। বৃষ্টির জেরে রাস্তা সারাইয়ের কাজ ব্যাহত হয়। তবে উৎসব শেষ হলেও রাস্তা সারাইয়ের কাজ চলবে। বৃষ্টি কমলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।" বিশেষ করে মণ্ডপ খোলারকেমন চলছে, তা খতিয়ে দেখেন। এদিন মেয়র বলেন, "প্রতিমা নিরঞ্জনের কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে। জলে প্রতিমা বির্সজনের সঙ্গে সঙ্গে তুলে নেওয়া হচ্ছে। ঘাটেও সাফাইকর্মীরা কাজ করছেন। এদিকে উৎসবের মরশুমে বৃষ্টিতে মণ্ডপে, বাড়িতে জল জমার সম্ভাবনা থাকে। জমা জল ডেঙ্গু মশার নিরাপদ আশ্রয়। ফলে রয়েছে কি না তা দেখা হচ্ছে।" এদিকে এবার বর্ষায় পুজো পড়ে। তার উপর পুজোর মুখে দফায় দফায় নিম্নচাপ হানা দেয়। বিসর্জনেও বৃষ্টি পিছু ছাড়েনি।

এবার বৃষ্টির জেরে পুজোয় রাস্তা মেরামতের কাজও ঠিকভাবে করতে পারেনি পুরসভা। যা নিয়ে পুজোর মুখে রাস্তা পরিদর্শনে বেরিয়ে স্থানীয়দের পর রাস্তায় গর্ত থেকে যায়। এই গর্তগুলি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে পথচারীদের কাছে। মণ্ডপ খোলার পরই রাস্তার গর্ত বোঝানোর কাজও দ্রুত করা হবে বলে এদিন মেয়র জানিয়েছেন। এদিন মেয়র ঘাট পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পূজারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • ডেঙ্গু রুখতে কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা পুরসভা।
  • শুক্রবার ঘাট পরিদর্শনে যান মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
  • বিসর্জনের পাশাপাশি গঙ্গার দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও ঘাট সাফাইকার্য এই সময় ডেঙ্গুর আশঙ্কা বেড়ে যায়।
Advertisement