এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস ধরাল কলকাতা পুরসভা। কালীঘাট রোড, হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাড়তি কোনও নির্মাণ হলে কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? সেই বিষয় জানতে চেয়েই নোটিস গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডায়মন্ড হারবারে সভায় গিয়ে সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, হিসেব হবে। তারপরই এই নোটিস পৌঁছেছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের! আজ, সোমবার সন্ধ্যায় ক্যামাক স্ট্রিটের ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেও তিনি অভিষেকের ২৪টি সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছিলেন।
দক্ষিণ কলকাতার হরিশ মুখার্জি রোডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বাড়ি রয়েছে। কালীঘাট রোডেও অভিষেকের বাড়ি আছে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, কালীঘাট রোডের ওই বাড়ি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি দেখানো হয়েছে। গত ৩দিন ধরে কলকাতা পুরসভা এই বাড়ি দুটির বিষয়ে অ্যাসেসমেন্টের কাজ করছিল বলে খবর। এরপরই ৪০১ ধারায় এই দুটি বাড়ির বিষয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যাএর কাছে নোটিস গেল। এক্ষেত্রে নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, নিয়ম মেনেই কি ওই দুই বাড়ি তৈরি হয়েছে? যদি কোনও অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়, তাহলে কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? সেসব তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।
দক্ষিণ কলকাতার হরিশ মুখার্জি রোডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বাড়ি রয়েছে। কালীঘাট রোডেও অভিষেকের বাড়ি আছে। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, কালীঘাট রোডের ওই বাড়ি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি দেখানো হয়েছে। গত ৩দিন ধরে কলকাতা পুরসভা এই বাড়ি দুটির বিষয়ে অ্যাসেসমেন্টের কাজ করছিল বলে খবর।
এক্ষেত্রে বাড়ি তৈরি করার জন্য স্যাংসান প্ল্যান-সহ যাবতীয় নথি পুরসভার থেকে চাওয়া হয়েছে। অবিলম্বে সেসব তথ্য, নথি পুরসভায় জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এই ঘটনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। তাহলে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির বিষয় নিয়ে তথ্যতালাশ শুরু হল? ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের হার ও রাজ্যে বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি শান্তিকুঞ্জের সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা প্রথমে সরিয়ে দেওয়া হয়। আমজনতা যাতে ওই বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারে, সেদিকেও নজর দেওয়া হয়।
তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে থাকার সময় প্রভূত নিরাপত্তা পেতেন অভিষেক। একজন সাংসদ কীভাবে এত নিরাপত্তা পেতে পারেন? সেই প্রশ্নও উঠেছিল। এরপর সেই নিরাপত্তাও সরিয়ে নেয় কলকাতা পুলিশ। আইন অনুসারে একজন সাংসদ হিসেবে যে নিরাপত্তা পাওয়া উচিত, অভিষেক এখন তাইই পাচ্ছেন বলে খবর।
