shono
Advertisement
LPG Cylinder

যুদ্ধের প্রভাব হেঁশেলে, কলকাতায় ডবল সিলিন্ডারের কানেকশন আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকলেও গ্যাসের জোগানে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেকারণেই এই নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে।
Published By: Sayani SenPosted: 12:09 PM Mar 06, 2026Updated: 01:41 PM Mar 06, 2026

ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের (Iran Israel Conflict) প্রভাব এবার সরাসরি এসে পড়ল গাড়ির হেঁশেলে।  কিছুদিন নতুন করে এলপিজি-র ডবল সিলিন্ডারের (LPG Cylinder) সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনও গ্রাহক দ্বিতীয় সিলিন্ডারের আবেদন করলেও তা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের। তেল সংস্থাগুলোর তরফে সম্প্রতি এই নির্দেশ এসেছে বলে খবর। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি থাকলেও গ্যাসের জোগানে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেকারণেই এই নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে। ফলে যাদের হেঁশেলে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত আদের তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এটি স্বাভাবিক হতে এখনও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে বলেই গ্যাস ডিলারদের থেকে জানা গিয়েছে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজের চলাচল ব্যাহত হলে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভাবছেন জ্বালানি আমদানির একটি বড় অংশই এই পথ দিয়ে আসে। ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত এলপিজি সরবরাহ ব্যবস্থাই বর্তমানে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে বলে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা এলএনজির তুলনায় এলপিজির উৎস সীমিত এবং এর মজুতও তুলনামূলকভাবে কম। মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ আমদানি করে। এর অধিকাংশই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে  পৌঁছয়। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০ দিনের এলপিজি মজুত রয়েছে।

তবে নির্ধারিত জাহাজ দেরিতে পৌঁছলে জোগানে সমস্যা দেখা দিতে পারে এসবই নানা আতঙ্কে মানুষ আগেভাগে সিলিন্ডার বুকিং শুরু করে দিচ্ছেন, যার জেরে এই মজুত সিলিন্ডার দ্রুত কমে যেতে পারে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন শহরের ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তাই অংখ্য মজুত না করার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। এদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে নানা গুজব ছড়াচ্ছে। তার প্রভাব পড়ছে পেট্রল পাম্পগুলোতেও। পাম্প মালিকরা জানাচ্ছেন, দাম বেড়ে যাওয়ার আতঙ্কে অনেকেই গাড়ির ট্যাঙ্ক ভর্তি করে নিচ্ছেন। তবে তাঁদের কথায়, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে। যুদ্ধ কতদিন চলে সেটার উপর নির্ভর করছে তেলের দামে হেরফের হয় কিনা। ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া বলেন, "এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি। তবে যুদ্ধ চলতে থাকলে দামের হেরফের একটু হতে পারে। তার জন্য আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement