ধর্মতলার ধরনামঞ্চ থেকে এসআইআর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, "ভোটের আগেই ভোট করে দিচ্ছেন! বড় হনু হয়ে গেছেন! প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলুন মিস্টার ভ্যানিশ কুমার।" মমতার সাফ কথা, "মানুষকে ভোট দিতে দিতে হবে। ভোটাধিকার কেড়ে নিতে দেব না।" রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চাপ দিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে বলেই দাবি করলেন তিনি।
এদিন মমতা বলেন, "বিজেপি বিচ্ছিরি প্রচার করছে। ওরা চিরকালই নেগেটিভ। বাঙালিদের থেকেও অনেকে অনেক বেশি দুর্গাপুজো করে। ওরা তাঁদের কাছে গিয়ে বলছে আমি নাকি এই রাজ্যে সব মুসলমান ঢুকিয়ে দিয়েছি। আচ্ছা দেশ স্বাধীন হয়েছে তখন কি আমি জন্মেছিলাম? আসলে ওরা সাইক্রিয়াটিক রোগী।" এরপরই এসআইআর নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। বলেন, "এসআইআর করে নাম কেটে দিচ্ছে। ভোটের আগেই ভোট করে দিচ্ছেন। আসলে ওরা মহিলাদের পছন্দ করে না। বেছে বেছে তাই মহিলাদের নাম কাটছে। আমার বাড়ির একটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে, নাম-ঠিকানা বদলেছে, ওর নাম কেটে দিয়েছে। মাথায় রাখবেন, মানুষকে ভোট দিতে দিতে হবে। ভোটাধিকার কেড়ে নিতে দেব না। কীসের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি? প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলুন।"
সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির বঙ্গসফর নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সেপ্রসঙ্গে মমতা বলেন, "রাষ্ট্রপতি যেদিন এলেন সেদিন রাজ্যপালের যাওয়ার কথা ছিল তাঁকে রিসিভ করতে। আমি জানি, এটাই ঠিক ছিল। সেখানে ওনাকে ভয় দেখিয়ে দিল্লি নিয়ে গিয়ে পদত্যাগ করানো হল।" কেন পদত্যাগ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, "কাজের সময় কাজী, কাজ ফুরোলেই পাজি!" প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে আচমকাই পদত্যাগ করেছেন সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত, তা এখনও অজানা। তবে মমতার দাবি, নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি।
