ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: আইপ্যাকের সল্টলেকের দপ্তর এবং কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানার প্রতিবাদে সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুর দু'টো নাগাদ নিজে পথে নামবেন তিনি। যাদবপুর এইট বি বাসস্ট্যান্ড থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার সকালে পুরনো কয়লা পাচার মামলায় আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডির দিল্লির আধিকারিকরা। তল্লাশি চালানো হয় আইপ্যাকের অফিসেও। ১২টার পর প্রতীকের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে পৌঁছন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে সবুজ রঙের একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের গোপন তথ্য এবং প্রার্থী তালিকা চুরি করার অভিযোগ করেন মমতা। তিনি আরও বলেন, “এই অভিযান দুর্ভাগ্যজনক। আমার আইটি দপ্তরে অভিযান চালিয়েছে। দলের সব গোপন নথি এবং প্রার্থী তালিকা চুরি করতে ইডিকে দিয়ে হামলা করেছেন ন্যাস্টি হোম মিনিস্টার। নটি হোম মিনিস্টার।” তৃণমূল নেত্রীর সাফ কথা, “এগুলি আমার দলের। আমি নিয়ে যাচ্ছি।”
তারপর রওনা দেন সংস্থার সল্টলেকের দপ্তরে। তারপরই ১২টা ৪৪ মিনিট নাগাদ আবাসনের ১১ তলায় আইপ্যাকের অফিসের ভিতর যান। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুকেশ। এরপরই অফিসের ভিতর থেকে একগুচ্ছ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন একজন। রাখা হয় মমতার গাড়িতে। বাইরে ছিলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, সুজিত বসুরা। পৌনে চার ঘণ্টা পর সেখান থেকে বেরন তিনি। জানান, "বাংলার উপর যে হামলা ওরা করেছে জনতা এর জবাব দেবে। ওদের ফেস সেভিং করার জন্য এগুলো করছে। সত্য অনুসন্ধান করার জন্য যা করার তা নিশ্চয়ই করবে।" অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার হুঁশিয়ারিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সোজা আউট্রাম ঘাটে গঙ্গাসাগর মেলার ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেও তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জোরাল বার্তা দেন। আঘাত করলে প্রত্যাঘাত হবে বলেই চ্য়ালেঞ্জও ছুড়ে দেন মমতা।
