ধর্মতলায় সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদে সরব শাসকদল। শনিবার দুপুর ১টা নাগাদ শাসকদলের বিধায়করা কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবেন। বিধানসভা চত্বরে গান্ধীমূর্তির সামনে প্রতিবাদ করবেন তাঁরা।
নিট কেলেঙ্কারির বিরোধিতার নামে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন জানিয়ে শুক্রবার বাম ছাত্র সংগঠনের ডাকা প্রতিবাদ মিছিল তুমুল বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয়েছে। মিছিল শেষে ধর্মতলায় অবস্থান বিক্ষোভ থেকে কার্যত ‘জঙ্গিপনা’ হয়েছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল ছোড়া হয়। রেহাই পাননি আন্দোলনের খবর করতে যাওয়া সাংবাদিক, চিত্রসাংবাদিকরাও! তাঁরা ‘ককরোচ’ সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়া ‘বহিরাগত’দের হামলায় আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কয়েকজন ভর্তি এসএসকেএম হাসপাতালে। রাতেই তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ‘আসল’ তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রী কড়া সুরে জানান, ‘‘কটাদিন অপেক্ষা করুন, ওদের কী করতে হয়, আমি জানি। এই ‘শুক্রবারি’দের দেখিয়ে দেব।” মুখ্যমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এসএসকেএমে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর মন্তব্য, ‘‘এটা কোনও ছাত্র আন্দোলনের রূপ নয়। এটা চূড়ান্ত স্বৈরাচার। যেসব ভিডিও দেখলাম, তাতে প্রতিবাদীদের যা কথা শুনলাম, তাতে আমি বিস্মিত। ভাবতেই পারছি না এটা ছাত্রদের আন্দোলন!” পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক খবর, হামলাকারীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। দ্রুত তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হবে। আহতদের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রীও সেই আশ্বাস দেন।
