কেন্দ্র-রাজ্য সরকারের সহযোগিতাতেই পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান সম্ভব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এমনটাই জানালেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং (Bimal Gurung)। এমনকী আগামদিনে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনা হবে বলেও জানান। আজ, বুধবার শহরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি। যেখানে উপস্থিত ছিলেন পরিবহণ এবং শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিংও। দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে এই বৈঠক। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ এই বৈঠকে পাহাড় সমস্যা এবং সেখানকার একাধিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর পাহাড়ে সার্বিক উন্নয়নের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, জিটিএ'তে হওয়া দুর্নীতির ফাইল খোলারও কথা বলেন।
বৈঠক শেষে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং বলেন, ''ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনায় গোর্খাল্যান্ড সমস্যার সমাধান কীভাবে তা আলোচনা করা যেতে হবে। এক্ষেত্রে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হবে। বিশ্বাস করি, কেন্দ্র এবং রাজ্যের আলোচনার মাধ্যমেই পাহাড়ে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান সম্ভব।'' এই সমস্ত বিষয় নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান বিমল গুরুং। শুধু তাই নয়, তিনি আরও জানান, ''বৈঠকে চা-বাগান, শিক্ষক নিয়োগ, পাহাড়ের পরিবহণ ব্যবস্থা ও জিটিএ-সহ একাধিক ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।''
এছাড়াও জিটিএতে যে দুর্নীতি হয়েছে তা নিয়েও বৈঠকে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোর্চা সুপ্রিমো। তাঁর কথায়, কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে জিটিএ'তে। অবিলম্বে সেই ফাইল খুলে পূর্ণাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত যাতে শুরু হয় সেই দাবিও জানানো হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে পালাবদলের পর পাহাড়ে সার্বিক উন্নয়নের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুধু তাই নয়, জিটিএ'তে হওয়া দুর্নীতির ফাইল খোলারও কথা বলেন। ইতিমধ্যে যদিও পাহাড়ে হওয়া শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িয়ে এদিন শহরে শুভেন্দু-বিমল গুরুং বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
