ফের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে নবান্ন। এসআইআরের কাজে গাফিলতির অভিযোগে ৫ নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশন। সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়ে পালটা রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠানো হল নবান্নের তরফে। এনিয়ে নবান্নের প্রশ্ন, 'লঘু দোষে গুরুদণ্ড' কেন দেওয়া হচ্ছে ওই চার আধিকারিক-সহ ৫ জনকে? সিইও দপ্তর সূত্রে খবর, ওই চিঠি কমিশনের দিল্লির কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এসআইআরের কাজে গাফিলতির অভিযোগে ৫ নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশন। সেই নির্দেশ প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়ে পালটা রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠানো হল নবান্নের তরফে।
এই মুহূর্তে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে শুনানির কাজ চলছে। এই পর্বের আগে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দিয়ে তা পূরণ করানোর কাজ হয়েছে। তার ভিত্তিতে খসড়া তালিকায় নাম উঠেছে ভোটারদের। আর এই কাজেই দুই এইআরও, দুই ইআরও-সহ ৫ নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ওই দুই জেলার জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-র বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের সেই নির্দেশের পর প্রায় ১৫ দিন কেটে গেলেও তা কার্যকর করা হয়নি বলে অভিযোগ। যদিও তার মাঝে রাজ্যে সিইও দপ্তর থেকে জেলাশাসকদের দু'বার 'রিমাইন্ডার' দেওয়া বা মনে করানো হয়েছিল। এসবের পর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের (AG) সঙ্গে পরামর্শ করে রাজ্য সরকার। কমিশন সূত্রে খবর, চিঠিতে এজির পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ওই চার আধিকারিকের 'অপরাধ' এফআইআর করার জন্য যথেষ্ট নয়। এ প্রসঙ্গে 'লঘু পাপে গুরু দণ্ড' প্রবাদটি উল্লেখ করেছে নবান্ন। বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ অপরাধে এত বড় শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। তাই এফআইআর করার নির্দেশ প্রত্যাহার করুক কমিশন।
