shono
Advertisement
RN Ravi

বিতর্কের মাঝে আজ শপথ নেবেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও

বুধবার রাতেই কলকাতায় চলে এসেছেন নয়া রাজ্যপাল আর এন রবি। শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্য প্রশাসনের কর্তারাও।
Published By: Subhankar PatraPosted: 08:47 AM Mar 12, 2026Updated: 12:59 PM Mar 12, 2026

বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন নয়া রাজ্যপাল রবীন্দ্রনারায়ণ রবি (RN Ravi)। থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। থাকবেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা। তার আগেই পত্রবোমা সদ্য ওই পদে প্রাক্তন হয়ে যাওয়া সি ভি আনন্দ বোসের। বুধবার, রাজভবনের (বর্তমানে লোকভবন) অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লেখেন তিনি। সেখানে এই রাজ্যকে তাঁর 'দ্বিতীয় বাড়ি' উল্লেখ করে 'পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে যুক্ত' থাকার কথা লেখেন বোস। উল্লেখ্য, দিল্লি থেকে ফিরে আর রাজভবনে যাননি তিনি। রয়েছেন রাজ্য সরকারের আতিথেয়তায় 'সৌজন্য' ভবনে।

Advertisement

বুধবার বাংলার আবেগ উস্কে দিয়ে গান্ধীজির বাণী 'আমি বাংলা ছেড়ে যেতে পারছি না, আর বাংলা আমাকে ছেড়ে যেতে দেবে না' লিখে বোস ফের নয়া জল্পনার জন্ম দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই চিঠিই প্রমাণ, তাঁকে জোর করেই ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। ৩ বছর ৪ মাস আগে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে বাংলায় এসেছিলেন বোস। তারপরে নবান্নের সঙ্গে রাজভবনের বিভিন্ন ইস্যুতে ঠান্ডা লড়াই বাধে। সরাসরি রাজ্যকে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে বারবার নিশানা করেছেন তিনি। কিন্তু তাঁকেই বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে যাওয়ার মুখে পদ ছাড়তে বাধ্য করানো। এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল থাকাকালীন ডিএমকে সরকারের সঙ্গে বার বার সংঘাতে জড়ানো প্রাক্তন আইপিএস আর এন রবিকে পাঠানোর পিছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে বলে সরব তৃণমূল।

মুখ্যমন্ত্রীও এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সেই উদ্বেগ যে কিছুটা হলেও ঠিক তার প্রমাণ সি ভি আনন্দ বোস দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে পদত্যাগের কারণ হিসাবে রহস্য জিইয়ে বলেছিলেন, "সময়ে সব বলব।" তারপর লোকভবনে ওঠেননি আনন্দ বোস। সৌজন্যের খাতিরে তাঁকে রাজ্য সরকারের ভবন 'সৌজন্য'-এ থাকার ব্যবস্থা করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী, যাওয়ার আগে গোছানোর জন্যেও লোকভবনে যাননি আনন্দ বোস।

আবেগতাড়িত হয়ে তিনি লিখেছেন, "আমার প্রিয় বঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা, লোকভবন, কলকাতায় আমার দায়িত্বের অধ্যায় শেষের পথে। এই মুহূর্তে আমি আবারও কৃতজ্ঞ আপনাদের সমর্থন, স্নেহ ও সম্মানের জন্য। আমাদের প্রিয় এই রাজ্যের স্নেহময় ও সহৃদয় মানুষের সান্নিধ্যে কাটানো মুহূর্তগুলো আমি আজও সযত্নে স্মরণ করি। আমি মনে করি সেই বোনের আলিঙ্গন, সেই ছোট্ট ছেলেটির পিঠে আলতো চাপড়, সেই তরুণের দৃঢ় করমর্দন, আর দূর থেকে উঁচু করে ওঠা সেই হাতের শক্তিশালী বার্তা। যদিও আমার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তবু পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আমার পথচলা এখানেই শেষ নয়।” এই শেষ লাইনটাই বড় প্রশ্নের ও চর্চার জন্ম দিয়েছে। তাহলে কি এই রাজ্যেই নয়া কোনও ইনিংসের জন্য তৈরি হচ্ছেন রাজভবনের সদ্য প্রাক্তন?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement