নিজেকে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তা বলে দাবি করে ইন্ডিয়ান অয়েল সংস্থায় কাজ দেওয়ার নাম করে ৩২ লাখ টাকা প্রতারণা। কলকাতার তিন যুবক ও যুবতী অভিযুক্তর পাতা ফাঁদে পা দেন। এরপরেই পাঁচটি আধার কার্ডের ‘মালিক’ অভিযুক্ত কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সন্ধান চালাতে শুরু করেন দক্ষিণ কলকাতার পাটুলি থানার পুলিশ আধিকারিকরা। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন ওই ব্যক্তি।
পুলিশ জানিয়েছে, পাটুলির একটি বাজারে দুই যুবক ও এক যুবতীর সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরিচয় হয়। তিনি নিজেকে কেন্দ্রীয় সরকারের এক কর্তা বলে পরিচয় দেন। এমনকী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে পরিচয় থাকার দাবি করেন। তাঁদের সঙ্গে ওই ব্যক্তির যোগাযোগ হতে থাকে। তিনি তাঁদের জাল পরিচয়পত্রও দেখান। ইন্ডিয়ান অয়েলে চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে তিনজনের কাছ থেকে ৩২ লাখ টাকা নেন। ওই যুবক ও যুবতীরা নিজেদের ও পরিবারের লোকেদের গয়না বন্ধক রেখে ওই টাকা সংগ্রহ করেন। ৩২ লাখ টাকার মধ্যে অনলাইনে ২২ লাখ টাকা ও নগদে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ায় ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাটুলি থানায় তাঁরা অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, লেকটাউন, বাগুইআটি, পাটুলি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁর ঠিকানা রয়েছে। শুদু তাই নয়, প্রত্যেক ঠিকানায় একটি করে তাঁর আধার কার্ড রয়েছে। এরকম পাঁচটি আধার কার্ডের সন্ধান পান কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, যেখানে যেখানে ওই ব্যক্তি বাড়ি ভাড়া নেন, সেখানেই একটি করে আধার কার্ড তৈরি করান। ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
