বৃহস্পতিবার বরানগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন বরানগরের বাসিন্দা। সেখান থেকে তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে রেফার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আর জি কর হাসপাতালে মেডিসিন ওয়ার্ডের ছয়তলায় ২২ নম্বর বেডে ভর্তি করা হয় বিমল ঘোষকে। আচমকাই বেড থেকে উধাও ওই রোগী। যা ঘিরে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য।
পরিবারের দাবি, এক নার্স তাঁদের জানিয়েছেন, বিমল ঘোষকে কিছু পরীক্ষা করানোর করানোর জন্য হাসপাতালেরই ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এক ওয়ার্ড বয় জানিয়েছেন, তিনি বাথরুমে গিয়েছেন। পাশের বেডের এক রোগীর দাবি, সকাল ৮ নাগাজ বিমল ঘোষকে শেষবার তিনি দেখেছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, গতকাল সকাল ১১টা নাগাদ তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে দেখেন ওই রোগী বেডে নেই। এরপরই হাসপাতালের কর্মীদের কাছে খোঁজ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের দাবি, এক নার্স তাঁদের জানিয়েছেন, বিমল ঘোষকে কিছু পরীক্ষা করানোর করানোর জন্য হাসপাতালেরই ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এক ওয়ার্ড বয় জানিয়েছেন, তিনি বাথরুমে গিয়েছেন। পাশের বেডের এক রোগীর দাবি, সকাল ৮ নাগাজ বিমল ঘোষকে শেষবার তিনি দেখেছিলেন। সারাদিন কেটে গেলেও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি ওই রোগীর। এরপর রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারকে জানানয় বিমলকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার তদন্তে টালা থানার পুলিশ।
আর জি কর হাসপাতাল থেকেই উধাও আরও এক রোগী। চিৎপুরের বাসিন্দা ২৩ বছরের দীপান্বিতা রায় আর জি কর হাসপাতালের চারতলার TPU ওয়ার্ডের ১ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন। শুক্রবার রাত থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
একদিকে বরানগরের বাসিন্দা বছর একান্নর বিমল ঘোষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা, অন্যদিকে আর জি কর হাসপাতাল থেকেই উধাও আরও এক রোগী। চিৎপুরের বাসিন্দা ২৩ বছরের দীপান্বিতা রায় আর জি কর হাসপাতালের চারতলার TPU ওয়ার্ডের ১ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন। শুক্রবার রাত থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর রাতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়। ঘটনায় চিৎপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছে পরিবার। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
