রাহুর দশা যেন কিছুতেই কাটছে না বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার! বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে টেনশনে প্রচুর ভুল করেছিলেন। শেষমেশ প্রাক্তন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের ফর্ম 'টুকে' নিজের মনোনয়ন পেশ করেন। শুক্রবার তা স্ক্রুটিনির সময়ে কিছু ভুলত্রুটির কথা শোনা গেলেও অবশেষে তা গৃহীত হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার রাজ্যসভার সাংসদ হওয়াটা রাহুলের জন্য ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু সেই মসৃণ পথেও হঠাৎ কাঁটা! বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ সিনহা ওরফে রাহুল সিনহার ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন গৃহীত হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখল তৃণমূল।
বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পেশ করেছিলেন বিজেপির একমাত্র প্রার্থী বিশ্বজিৎ সিনহা ওরফে রাহুল সিনহা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সাংসদ হবেন, তা নিশ্চিত ছিলই। কিন্তু জানা যায়, তিনি মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে যে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছেন তার একটি অর্থাৎ মামলা সংক্রান্ত গলদ রয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১ টায় রাজ্যসভার নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র স্কুটিনি শুরুর কথা ছিল। রাহুলকে জানানো হয়েছিল, যে নথি তিনি দিতে ভুল করেছেন, তা স্ক্রুটিনি শুরুর আগেই জমা করতে হবে। এদিন স্ক্রুটিনি শুরুর আগে নজিরবিহীনভাবেই বিধানসভায় পৌঁছে গিয়েছিলেন কমিশনের প্রতিনিধি তথা সিইও মনোজ আগরওয়াল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি ছিল, রাহুলকে বিপন্মুক্ত করতেই ছক ভেঙে বিধানসভায় হাজির হয়েছেন সিইও নিজে। স্ক্রুটিনি শেষে অবশ্য রাহুল হাসিমুখে বেরিয়ে জানান, তাঁকে ৯ মার্চ কমিশন জয়ী হিসেবে সার্টিফিকেট দিয়ে দেবে।
তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহার মনোনয়নপত্রে প্রচুর ভুল। তা সত্ত্বেও তা কীভাবে গৃহীত হল? রিটার্নিং অফিসার সৌমেন্দ্রনাথ দাস ঠিকমতো স্ক্রুটিনি করেননি বলে অভিযোগ তুলে এবং সেইসঙ্গে প্রমাণস্বরূপ নথি পেশ করে সরাসরি জাতীয় নির্বাচন কমিশনে চিঠি লেখা হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের তরফে।
কিন্তু রাতে ফের মনোনয়ন গেরো! তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহার মনোনয়নপত্রে প্রচুর ভুল। তা সত্ত্বেও তা কীভাবে গৃহীত হল? রিটার্নিং অফিসার সৌমেন্দ্রনাথ দাস ঠিকমতো স্ক্রুটিনি করেননি বলে অভিযোগ তুলে এবং সেইসঙ্গে প্রমাণস্বরূপ নথি পেশ করে সরাসরি জাতীয় নির্বাচন কমিশনে চিঠি লেখা হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের তরফে। ফলে রাহুল সিনহার সাংসদ হওয়ার পথ যতটা সহজ মনে হচ্ছিল, ততটা বোধহয় হচ্ছে না।
