দলে তাঁর থেকে পুরনো কার্যকর্তা। ইচ্ছা হয়েছে, তাই আবেদন করেছেন। স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার প্রার্থী হতে চেয়ে বিজেপির সল্টলেকের দপ্তরে জীবনপঞ্জি জমা দেওয়ার বিষয়ে এমনটাই জানালেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আজ, বৃহস্পতিবার সেই বিষয়ে মুখ খুলে দিলীপ বললেন, "ইচ্ছা হয়েছে, আবেদন করেছেন।"
এ দিন ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন দীলিপ। সেখানে তাঁকে স্ত্রী রিঙ্কুর প্রার্থী হওয়ায় বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, "দলে আমার থেকেও পুরনো। অনেক দিনের কার্যকর্তা। আমি এমএলএ, এমপি হয়ে গেলাম। ওঁর ইচ্ছা হয়েছে আবেদন করেছে। হাজার হাজার লোক আবেদন করেছে। কে প্রার্থী হবেন দল ঠিক করবে।"
সূত্রের খবর, গত ৩১ জানুয়ারি নিজের জীবনপঞ্জি জমা করেছেন দিলীপ পত্নী রিঙ্কু। ওই দিন সন্ধ্যায় বিজেপির সল্টলেকের দপ্তরে গিয়ে একজনের হাতে এই জীবনপঞ্জি তুলে দিয়েছেন তিনি। ওই জীবনপঞ্জিতে রিঙ্কু তিন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন বলে খবর। মেদিনীপুর শহর, বীজপুর ও নিউটাউনে লড়তে চেয়েছেন তিনি।
জমা দেওয়া জীবনপঞ্জির ছত্রে ছত্রে বিজেপিতে তাঁর কাজের কথা লিখেছেন সাপুরজির প্রাক্তন বাসিন্দা। ওই জীবনপঞ্জির প্রথমেই তিনি লিখেছেন, তৃণমূল স্তরের ও সামাজিকভাবেও একজন সক্রিয় নেত্রী তিনি। এর সঙ্গেই উঠে এসেছে দলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর কাজের কথা। তিনি বর্তমানে কী কী করেন বা করেছেন, সেই বিষয়টিও ওই জীবনপঞ্জিতে তুলে ধরেছেন দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) স্ত্রী।
সূত্রের খবর, গত ৩১ জানুয়ারি নিজের জীবনপঞ্জি জমা করেছেন দিলীপ পত্নী রিঙ্কু। ওই দিন সন্ধ্যায় বিজেপির সল্টলেকের দপ্তরে গিয়ে একজনের হাতে এই জীবনপঞ্জি তুলে দিয়েছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে রিঙ্কু মজুমদারের দাবি, “আমি মিসেস ঘোষ হয়েছি মাত্র কয়েক মাস হল! কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে নিউটাউনে থাকি। দলের কাজ করেছি। বিয়ে, ছেলের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আমার পরিকল্পনাতেই ছিল মানুষের জন্য কাজ করব! সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছি। আর সিভি তো অনেকেই জমা করছেন। আমার তো একটা রাজনৈতিক সত্ত্বাও আছে, আমি চাই লড়াই করতে, জিততে চাইব অবশ্যই।”
উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির দলীয় দপ্তরে আসছে বহু জীবনপঞ্জি। অনেকেই নিজেদের ‘সিভি’ জমা দিচ্ছেন প্রার্থী হতে চেয়ে। অন্যদিকে বাইপাসের ধারে তৃণমূল দপ্তরেও বসেছে জীবনপঞ্জি জমা দেওয়ার বাক্স।
