shono
Advertisement

একই আসনে পূজিত হন সরস্বতী ও শ্রীমা, শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনে ‘মহাসরস্বতী’র আরাধনা

ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রথমে মহাসরস্বতীর বন্দনায় বাংলা ও ইংরেজিতে মন্ত্রপাঠ করেন।
Posted: 03:49 PM Jan 23, 2023Updated: 09:36 PM Jan 23, 2023

সংবাদ প্রতিদিন আয়োজিত ‘সরস্বতীর সেরা স্কুল’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন স্কুলের। এবছরের কীভাবে চলছে পুজোর প্রস্তুতি? জানালেন সহকারী শিক্ষিকা কাকলি নন্দী

Advertisement

ঋষি অরবিন্দ শ্রীমাকে চারটি রূপে দেখতেন। প্রথম রূপটি হল ‘মহাসরস্বতী’। তিনি শ্রীমায়ের মধ্য়ে চেতনের ঊর্ধ্বে থাকা যে অলীক আধ‌্যাত্মিক শক্তি নজর করেছিলেন সেই রূপকেই মহাসরস্বতী নাম দেন। সেই কথা অরবিন্দ উল্লেখ করেছেন ‘মাদার’ গ্রন্থে। এই মহাসরস্বতীর রূপকে শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে আমরা পুজো করি। এদিন ডিভাইন মাদার অর্থাৎ শ্রীমার মহাসরস্বতী রূপের প্রতিকৃতি দেবী সরস্বতী প্রতিমার সঙ্গে একাসনে বন্দিত হয় সল্টলেকের শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনে। ওই দিন সকালে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রথমে মহাসরস্বতীর বন্দনায় বাংলা ও ইংরেজিতে মন্ত্রপাঠ করেন। তারপর শুরু হয় প্রথাগতভাবে বাগদেবীর আরাধনা। সংস্কৃত মন্ত্রোচ্চারণ করে অঞ্জলি দেওয়া, ফলপ্রসাদ বিতরণ থেকে ভোগ খাওয়া সবই হয় আর পাঁচটা স্কুলের মতোই। স্কুলের ছেলেমেয়েরাই পুজোর ক’দিন আগে থেকে শোলা, রঙিন কাগজ, ফুল দিয়ে সাজিয়ে তোলে মণ্ডপ। ছোটদের আঁকা দিয়েও তাদের সৃজনশীল ভাবনা ফুটিয়ে তোলা হয়।

[আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো নিয়ে সিংহভাগের মত কী? প্রকাশ্যে ভোটাভুটির ফল ]

শ্রীমা ও ঋষি অরবিন্দের ভাবধারায় দীক্ষিত হয়েও আমরা প্রাচীন সংস্কৃতিকে কখনও উপেক্ষা করি না। বরং এই দুইয়ের মেলবন্ধনই হল এই স্কুলের বাণীবন্দনার প্রধান আকর্ষণ। শ্রীমার প্রার্থনা সংগীতও যেমন পড়ুয়াদের আত্মস্থ তেমনই ‘বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাংদেহি নমোস্তুতে’ও কণ্ঠস্থ। একটু অন‌্যরকম এই পুজোর সঙ্গে পড়ুয়াদের আত্মিক যোগ এতটাই মজবুত যে, প্রতি বছর ফিরে ফিরে আসে তারা। এদিন পড়াশোনায় ছুটি থাকাটাই ছাত্রছাত্রীদের কাছে সবচেয়ে আনন্দের। তাছাড়া এই উৎসব ওদের একান্ত নিজেদের। তাই আলপনা দিয়ে সাজানো থেকে সাজগোজ সব নিয়েই ভীষণ উৎফুল্ল থাকে তারা। তেমনই পাত পেড়ে স্কুলে বসে খাওয়াদাওয়া নিয়েও দারুণ মজা ওদের। অবশ‌্য প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়াদের আমরা ভোগের প‌্যাকেট দিই। বাকিদের, এমনকী প্রাক্তনীদেরও বেঞ্চে বসে ভোগের ভূরিভোজ চলে। কখনও কখনও কিছুটা ভোগ এলাকার একটি বিশেষভাবে সক্ষমদের স্কুলেও পৌঁছে দিই আমরা। তাদের সঙ্গে ভাগ করে নিই বিদ‌্যাবতীর ভোগের অতুলনীয় স্বাদ।

[আরও পড়ুন: নেতাজির লক্ষ্যেই এগোচ্ছে আরএসএস! শহিদ মিনারের অনুষ্ঠানে ভারত গঠনের ডাক ভাগবতের ]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement