নির্বাচনের আবহে খাস কলকাতায় চলল গুলি! গুলি করে খুন তৃণমূল কর্মীকে। মৃত ওই ব্যক্তির নাম রাহুল দে বলে জানা যাচ্ছে। বুধবার মধ্যরাতে ঘটনাটি ঘটেছে বাঘাযতীনের পূর্ব ফুলবাগান এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, এলাকার একটি বহুতলে অন্তত তিন রাউন্ড গুলি চলে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রাহুলের। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন জিৎ মুখোপাধ্যায় বলে আরও এক যুবক। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পাটুলি থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। আসে লালবাজারের হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরাও। কীভাবে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা গুলি চালালো তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দুজন পরিচিতকে আটক করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে বলে খবর।
পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে বাঘাযতীনের পূর্ব ফুলবাগান এলাকায় থাকা জিৎ মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন রাহুল। পরিবারের দাবি, জিৎ ফোন করে রাহুলকে ডেকে পাঠায়। স্থানীয়দের দাবি, রাত সাড়ে ১২ টার পর ওই বহুতলের ছাদ থেকে হঠাৎ করেই গুলির শব্দ শোনা যায়। একাধিকবার গুলির শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে বলে দাবি এলাকার মানুষের। রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার খবর দেওয়া হয় পাটুলি থানায়। পুলিশ ছাদে গিয়ে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় ২ যুবককে পড়ে রয়েছে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রাহুলের। যদিও আহত অবস্থায় জিৎকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের দাবি, রাত সাড়ে ১২ টার পর ওই বহুতলের ছাদ থেকে হঠাৎ করেই গুলির শব্দ শোনা যায়। একাধিকবার গুলির শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে বলে দাবি এলাকার মানুষের। রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার খবর দেওয়া হয় পাটুলি থানায়। পুলিশ ছাদে গিয়ে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় ২ যুবককে পড়ে রয়েছে।
কীভাবে এই ঘটনা তা জানতে ইতিমধ্যে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এলাকায় থাকা সিসিটিভিগুলিও। এমনকী আহত জিৎ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রীকেও পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে বলে খবর। পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদে আহত ওই ব্যক্তির স্ত্রী জানিয়েছেন, বুধবার রাতে হঠাৎ করেই বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ফ্ল্যাটে আসে এবং এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। রাতে আসা ব্যক্তিদের কাউকেই তিনি চেনেন না বলেও জানিয়েছেন বলে খবর। আর সেটাই তদন্তকারী আধিকারিকদের ভাবাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, পুলিশ আধিকারিকরা আরও জানতে পেরেছেন, দীর্ঘসময় জিৎ এবং রাহুলের যোগাযোগ ছিল না। তাহলে বুধবার রাতে কেন রাহুলকে ডেকে পাঠালোন জিৎ সেটাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে। ফলে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে একেবারে জোরকদমে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
