বাংলার বিধানসভা ভোটের উত্তাপ ক্রমশ চড়ছে। আর তা যে ইতিমধ্যেই জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে পৌঁছে গিয়েছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলল লোকসভাতে। বুধবার ফিন্যান্স বিলের ওপর জবাবি ভাষণ দিতে গিয়ে বাংলার প্রসঙ্গ তুলে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। শুধু সমালোচনা নয়, বুধবার তিনি বাংলা ভাষাতেই বক্তব্যের একটি অংশ তুলে ধরে দাবি করেন, রাজ্যে চা বাগানের শ্রমিকদের উপর অন্যায় করা হচ্ছে। এই মন্তব্যের পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য তুলে ধরে সংসদকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শুধু সমালোচনা নয়, বুধবার তিনি বাংলা ভাষাতেই বক্তব্যের একটি অংশ তুলে ধরে দাবি করেন, রাজ্যে চা বাগানের শ্রমিকদের উপর অন্যায় করা হচ্ছে। এই মন্তব্যের পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য তুলে ধরে সংসদকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিন লোকসভায় অর্থমন্ত্রী তাঁর ভাষণে আরও বলেন, কেন্দ্র সরকারের চা শ্রমিকদের প্রকল্প থেকে আয়ুষ্মান ভারতের মতো প্রকল্প চালু করেনি রাজ্য, প্রধানমন্ত্রী কিষান যোজনাও দু'বছর আটকে রেখেছিল। এই মন্তব্যের পরই তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা প্রতিবাদে সরব হন এবং সংসদে হট্টগোলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়, কেন্দ্রই বরং বাংলার প্রাপ্য অর্থ আটকে রেখেছে এবং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই রাজ্যকে টার্গেট করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী ভুল তথ্য দিয়ে সংসদকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন।
এদিন লোকসভায় হাজির থাকা তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, প্রতিমা মণ্ডল, জুন মালিয়ারা। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার ভোট ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের সংঘাত যে আরও তীব্র আকার নিচ্ছে, লোকসভায় এদিনের ঘটনা তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামী দিনে এই ইস্যু ঘিরে সংসদের ভিতরে ও বাইরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
