সময়সীমা ফুরলেও এখনও বাকি ঢের কাজ। কোথাও শুনানিই শেষ হয়নি, তো কোথাও তথ্য আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে চাপে পড়ে এবং জেলাশাসকদের আবেদন মেনে এসআইআরের সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন। শনিবার সন্ধ্যায় এই সংক্রান্ত ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। আপাতত আগামী ৭ দিন চলবে শুনানির কাজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওইদিনই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তা আরও খানিকটা পিছিয়ে যাবে। সব ঠিক থাকলে ২১ ফেব্রুয়ারি নাগাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।
রাজ্যে এসআইআরের সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন। শনিবার সন্ধ্যায় এই সংক্রান্ত ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। আপাতত আগামী ৭ দিন চলবে শুনানির কাজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওইদিনই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তা আরও খানিকটা পিছিয়ে যাবে। সব ঠিক থাকলে ২১ ফেব্রুয়ারি নাগাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছিল। কথা ছিল, সমস্ত পর্ব ধাপে ধাপে মিটিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তারপর বিধানসভা ভোটের ঘোষণা হতে পারে। তবে এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্বে এসে দেখা গেল, কাজ বেশ কিছুটা বাকি। কয়েকটি বড় জেলায় ভোটারদের নথি যাচাই বা শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে। সেই কারণে বাড়তি সময় চেয়ে জেলাশাসকরা কমিনের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। শেষমেশ সেই আবেদন মঞ্জুর হল। শুনানির দিন আপাতত ৭ দিন বাড়ানো হয়েছে। সেই অনুযায়ী খানিকটা পিছিয়ে গেল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময়ও।
এদিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, "কয়েকটি জেলায় কিছু কিছু কাজ বাকি আছে এখনও। যেমন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটা বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ শেষ হয়নি। আমাদের কাছে জেলাশাসকরা জানিয়েছেন সেটা। তবে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। অল্প কাজই বাকি। আশা করি, ৭ দিনের মধ্যে সব কাজ হয়ে যাবে।"
তাহলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা কবে প্রকাশিত হবে, ফেব্রুয়ারির শেষে? এই প্রশ্নের জবাবে মনোজ আগরওয়ালের জবাব, ''তার আগেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব। যদি শুনানির কাজ আরও সাতদিন হয়, তাহলে সেই হিসেবমতো বাকি কাজ সারতে আরও সাতদিন সময় লাগবে। ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা দিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।''
