shono
Advertisement

Breaking News

SIR in West Bengal

'নেতাজির প্রপৌত্রকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে! কোন পথে এগোচ্ছে দেশ?' SIR নোটিস পেয়ে তোপ চন্দ্র বসুর

এনিয়ে শোরগোল শুরু হতেই চন্দ্র বসুকে শুনানির নোটিস পাঠানোর কারণ ব্যাখ্যা করল নির্বাচন কমিশন।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 11:45 AM Jan 19, 2026Updated: 01:21 PM Jan 19, 2026

এবার নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে নেতাজি পরিবারের সদস্যকেও! এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানিতে ডাক পেলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র বসু। আর নোটিস পেয়েই বিস্মিত, ক্ষুব্ধ চন্দ্র বসু সরাসরি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে প্রশ্ন তুললেন, ''নেতাজির প্রপৌত্র আমি, আমাকে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে! কোন পথে এগোচ্ছে ভারত?'' দেশনায়ক নেতাজির পরিবারের সদস্যকে এভাবে শুনানির জন্য নোটিস পাঠানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জোর শোরগোল শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যাবতীয় ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সকলে। আর তাতেই চাপে পড়ে নোটিস পাঠানোর কারণ ব্যাখ্যা করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাতে জানানো হয়েছে, তাঁর এনুমারেশন ফর্মে তথ্য অসম্পূর্ণ। 'লিঙ্কেজ' কলামটি পূরণ করেননি চন্দ্র বসু। তাই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।

Advertisement

এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র বসু। আর নোটিস পেয়েই বিস্মিত, ক্ষুব্ধ চন্দ্র বসু সরাসরি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে প্রশ্ন তুললেন, ''নেতাজির প্রপৌত্র আমি, আমাকে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে! কোন পথে এগোচ্ছে ভারত?''

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে সাধারণ নাগরিক থেকে সমাজের বিশিষ্টজন - হয়রানির যেন শেষ নেই! এই মুহূর্তে চলছে শুনানির কাজ। এনুমারেশন ফর্মে ছোটখাটো ভুলত্রুটির জন্য ভোটারদের সোজা শুনানিকেন্দ্রে ডেকে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে। ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে নোটিস। সেই তালিকা থেকে বাদ পড়েননি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, বিশ্বকাপজয়ী মহম্মদ শামিও। একে একে তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়কদেরও ডাক পড়েছে শুনানিতে। এবার তাতে যুক্ত হল বীর দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র চন্দ্র বসুর নামও।

নেতাজির মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারের সদস্যকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে? চন্দ্র বসুকে এসআইআর শুনানির নোটিস পাঠানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা শুরু হয়েছে সর্বস্তরে। নোটিসের ব্যাখ্যা দিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় নাম থাকা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে লিংক করানোর কলাম রয়েছে এনুমারেশন ফর্মে। কিন্তু চন্দ্র বসু ওই লিংকটি ফাঁকা রেখেছেন। সেই কারণে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। যদিও এই নোটিসে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ নেতাজির প্রপৌত্রের স্বাভাবিক প্রশ্ন, ''আমাকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে? কোন পথে এগোচ্ছে দেশ?'' 

নোটিসের ব্যাখ্যা দিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় নাম থাকা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে লিঙ্ক করানোর কলাম রয়েছে এনুমারেশন ফর্মে। কিন্তু চন্দ্র বসু ওই লিংকটি ফাঁকা রেখেছেন। সেই কারণে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, চন্দ্র বসুর সঙ্গে বিজেপি সম্পর্ক ছিল। ১০ বছর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। দু'বার ভোটে প্রার্থীও হন। যদিও জয় অধরাই ছিল। পরে অবশ্য দলের সঙ্গে মতানৈক্য তৈরি হয় দূরত্ব। ২০২৩ সালে চন্দ্র বোস বিজেপি ত্যাগ করেন। তবে কি তাঁকে এসআইআর নোটিস পাঠানো 'প্রতিশোধমূলক' পদক্ষেপ? এই প্রশ্নও উঠছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement