shono
Advertisement
SIR in West Bengal

SIR-এর জন্য পর্যাপ্ত গ্রুপ বি আধিকারিক, সুপ্রিম কোর্টে মমতার উপস্থিতিতে শুনানির আগে পদক্ষেপ নবান্নের

এসআইআর-এর কাজের জন্য ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিক দিতে পারবে রাজ্য সরকার, এই মর্মে কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছে নবান্ন।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 09:07 AM Feb 09, 2026Updated: 09:07 AM Feb 09, 2026

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শুনানি কিংবা তথ্য যাচাইয়ের কাজ শেষ করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তার জন্য শুনানির দিনক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। ১৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে সেই কাজ। আজ, সোমবার আবার শীর্ষ আদালতে এসআইআর মামলার শুনানি। গত বুধবারের মতো এদিনও সেখানে থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সশরীরে না থাকলেও ভারচুয়ালি থাকবেন বলে খবর। তবে সোমবার এই শুনানির আগেই কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে নবান্ন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, এসআইআর-এর জন্য পর্যাপ্ত গ্রুপ বি আধিকারিক দেওয়া হবে। রাজ্যের এই পদক্ষেপে কমিশন নতুন করে চাপে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। আইনি মহলের মতে, একদিকে নিজেদেরই ঠিক করা সিদ্ধান্তে বদল এবং সময়সীমা ক্রমাগত পিছিয়ে চলেছে তারা। অন্যদিকে, সুপ্রিম-নির্দেশের পরে মুখ্যমন্ত্রীর দাবিগুলি মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এসআইআর নিয়ে পরবর্তী কী পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্ট নেয়, সেদিকে নজর গোটা দেশের।

Advertisement

সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানির আগেই কমিশনের অভিযোগের ভিত্তিতে নবান্ন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, এসআইআর-এর জন্য ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিক দেওয়া হবে। রাজ্যের এই পদক্ষেপে কমিশন নতুন করে চাপে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচনের কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার এসআইআরের কাজের জন্য পর্যাপ্ত গ্রুপ-বি অফিসার দেয়নি। তাই ভিন রাজ্য থেকে আধিকারিকদের নিয়োগ করতে হয়েছে। এরপর আদালত রাজ্য সরকারকে তালিকা দিতে বলেছিল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চ জানিয়েছিল, কতজন গ্রুপ-বি আধিকারিককে রাজ্য এসআইআর-এর কাজের জন্য দিতে পারবে, তা সোমবারের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। সেই মতো শনিবারই কমিশনকে নবান্ন জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর কাজের জন্য ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিক দিতে পারবে রাজ্য সরকার।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্রকে প্রামাণ্য নথি হিসাবে শনিবারই মান্যতা দিতে বাধ্য হয়েছে কমিশন।

আগের শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শানিত যুক্তি কমিশনের পক্ষপাতকে সামনে এনে দিয়েছে। দেশের শীর্ষ আদালত তাঁর তোলা অভিযোগগুলিকে মান্যতা দিয়ে পর্যবেক্ষণে জানায়, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির দোহাই দিয়ে কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, কমিশনকে তার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ফলে, দৃশ্যতই ব্যাকফুটে থাকা কমিশন এবার কী যুক্তি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর সামনে পেশ করে, সেদিকে নজর থাকছে রাজ্যের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement