আগামী শুক্রবার রাজ্যের 'বিবেচনাধীন' ভোটারদের প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। ওই তালিকায় নাম থাকা প্রত্যেক ভোটারের ভবিষ্যৎ এখনও অন্ধকারে। সেই তালিকায় ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজাও। নিষ্পত্তি না হলে মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন না তিনি। তাই স্বাভাবিকভাবেই দোলাচল ছিলই। তবে বুধবার সিইও দপ্তরের তরফে খোঁজ নিয়ে জানানো হয়েছে, শশী পাঁজার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। সুতরাং মনোনয়ন জমা দিতে আর কোনও বাধা রইল না তাঁর।
২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল শশী পাঁজার। এনুমারেশন ফর্মেও যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তিনি। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন শশী পাঁজা।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল শশী পাঁজার। এনুমারেশন ফর্মেও যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তিনি। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাক পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন শশী পাঁজা। তিনি জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়। অ্যাপের গলদে কমিশনের অনলাইন তালিকায় ২০০২ সালে মন্ত্রীর নাম দেখাচ্ছে না। ফলে নিয়ম মেনে গত ২৫ জানুয়ারি নির্ধারিত সময়মতো মন্ত্রী শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসাররা নথি নিয়ে অযথা তাঁকে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ তোলেন মন্ত্রী।
ওইদিন রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, "হয়রানি করা হচ্ছে। আমার নাম আছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। তা সত্ত্বেও নাম নেই বলে আমার কাছে নথি চাওয়া হল। আমি সেসব দেওয়ার পর পাসপোর্ট চাইছে! আমি পাসপোর্ট দেখাব না, এটা আমার প্রতিবাদ।” কমিশনকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের সুরে তাঁর বক্তব্য, ”দেখুক কী করে। তিনবারের মন্ত্রী, বিধায়কের নাম তোলে কি না ভোটার তালিকায়। আমি এত বছর ধরে ভোটে লড়ে এসেছি, এত বছর ধরে ভোট দিয়েছে। এসব অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যা ইচ্ছে তাই করছে!” এবার সিইও দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, শশীর পাঁজার সমস্যার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।
