অভিরূপ দাস: কোনও রাজনৈতিক পূর্বসূরি নেই। লড়াই করে সমাজের তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তৃতার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। আর তাতেই জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে বাম ঘেঁষা কিছু চিকিৎসক! অভিযোগ, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের সেই চিকিৎসকদের একাংশ চিঠি দিয়েছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কেলগ কলেজের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর মিচিকে। সেই চিঠির ‘কপি’দেখে বিস্মিত দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ। পালটা চিঠিতে অধ্যাপক মিচিকে 'দেশ বাঁচাও গণমঞ্চে'র পক্ষ থেকে অনন্যা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কে অপমান করতে চেয়েই ওই চিঠি।’’

শিশু সুরক্ষা কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী চিঠিতে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চিকিৎসকদের একাংশের ওই চিঠি মিথ্যায় ভরা। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কঠোর পরিশ্রম করে আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নিজের অধ্যাবসায় আর শ্রমের জোরে আজ তিনি এই জায়গায় এসেছেন। বাংলায় দীর্ঘ ৩৪ বছরের দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বৈরাচারি বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করেছেন তিনি। রাজনৈতিক পরিবারতন্ত্র ছাড়া, একার প্রচেষ্টায় একজন মহিলা এই কাজ করে দেখাবেন সেটা অনেকেই ভাবতে পারেননি। আজ তারাই মিথ্যে ছড়িয়ে চিঠি লিখছেন। সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে থাকেন মমতা, সে জন্য সমাজের তৃণমূল স্তরের মানুষ তাঁকে ভালোবাসেন। মুখ্যমন্ত্রী হেয় করতেই এই চিঠি।
দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের দাবি, ‘‘সমাজের কতিপয় উঁচু তলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) পছন্দ করেন না। সামান্য নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, এটা তাঁদের পছন্দ নয়।’’ সেই কারণেই নাকি এই আক্রমণ। উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে লন্ডন রওনা হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ব্রিটেনের মোট তিনটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।