shono
Advertisement
Calcutta High Court

ওবিসি তালিকা বাতিল, ফেরান প্রাথমিকের ৩২ হাজার চাকরি! হাই কোর্টের নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী

কলকাতা হাই কোর্টের নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। এখন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। তাঁর কার্যকাল আগামী কাল, শনিবার শেষ হচ্ছে। সেই জায়গায় প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন তপোব্রত চক্রবর্তী।
Published By: Suhrid DasPosted: 08:40 PM Jun 19, 2026Updated: 08:40 PM Jun 19, 2026

কলকাতা হাই কোর্টের নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। এখন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। তাঁর কার্যকাল আগামী কাল, শনিবার শেষ হচ্ছে। সেই জায়গায় প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন তপোব্রত চক্রবর্তী। আগামী কাল থেকেই তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস আমলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দিয়েছিলেন তপোব্রত চক্রবর্তী। প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের মামলা থেকে ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের মামলায় রায় দিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

কেন্দ্রের আইন মন্ত্রক থেকে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। ২০ জুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল অবসর নিচ্ছেন। সুজয় পালের পর বয়জ্যেষ্ঠ হিসেবে কলকাতা হাই কোর্টে এই মুহূর্তে রয়েছেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। সেই নিয়ম মেনেই সেজন্য তাঁকে প্রধান বিচারপতি পদে আসীন করা হল। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৬৬ সালে। আইনজীবী হিসেবে ১৯৯১ সালে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘ ২২ বছর তিনি প্র্যাকটিস করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি বিচারপতি হন। এরপর ২০১৬ সালে হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে তিনি নিয়োজিত হয়েছিলেন। প্রায় এক দশক ধরে তিনি বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এবার তিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাবেন।

হাই কোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ৩২ হাজারের চাকরি বাতিল করেছিল। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলা গিয়েছিল। সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই রায় বাতিল করেন বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। জানিয়েছিলেন, কারও চাকরি যাবে না। মানবিক কারণেই সেই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়। শুধু তাই নয়, তৃণমূল জমানার ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করেছিলেন। তাঁর নির্দেশেই ২০১০ সালের পর থেকে রাজ্য সরকারের দেওয়া ওবিসি সংশাপত্র বাতিল হয়েছিল। সেক্ষেত্রে তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, ১১৩টি সম্প্রদায়কে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না। কোনও শংসাপত্র ব্যবহার করা যাবে না। সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement