৪ আগস্ট কিশোর কুমারের জন্মদিন। খবর মিলেছে তার আগেই টালিগঞ্জে কুদঘাটে কিশোর কুমারের সেই মূর্তির নীচে বসানো সেই ফলক ফিরছে নিজের জায়গায়।
মিঠুন চক্রবর্তী সেই ফলক বসিয়েছিলেন ২০০০ সালে। যার অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন কিশোর-কণ্ঠী গায়ক গৌতম ঘোষ। কিন্তু অভিযোগ, ২০১০ সালে টালিগঞ্জের বিধায়ক হিসাবে অরূপ বিশ্বাস সেই ফলক মূর্তির এক পাশে সরিয়ে নিজের নামের একটি ফলক বসিয়ে দেন সামনে। পালাবদলের পর সেই ফলক সরিয়ে মূল ফলক ফেরানোর উদ্যোগ নেন বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা কালচারাল সেলের কনভেনার প্রীতম সরকার। সেলের রাজ্য কনভেনর বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষকে বিষয়টি জানানোর পর আনুষ্ঠানিকভাবে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে সেই পুরনো ফলক ফেরানোর আবেদন করেন তিনি। ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রথম এই খবর বেরোয়। কালচারাল সেলের তরফে সেই বিষয়টি মন্ত্রীকে জানাতেই কাজ হয়েছে। সদ্য তার টেন্ডার দিয়েছে কলকাতা পুরসভা।
২০১০ সালে টালিগঞ্জের বিধায়ক হিসাবে অরূপ বিশ্বাস সেই ফলক মূর্তির এক পাশে সরিয়ে নিজের নামের একটি ফলক বসিয়ে দেন সামনে।
তবে সেই পুরনো ফলক নিজের জায়গায় ফিরতে আরও দিন কুড়ি। তার আগেই মূল ফলকের প্রতিলিপির আকারে একটি ভিনাইল বোর্ড বসিয়ে কিশোর কুমারের জন্মেদিন উদ্যাপন করবেন প্রীতমরা। তৃণমূল জমানায় প্রত্যেকবার ফেডারেশনের তরফে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন অরূপের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। এবার বড় আকারেই সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা কালচারাল সেল।
প্রীতম জানাচ্ছেন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী, কিশোর-কণ্ঠী গৌতম ঘোষ-সহ তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, টালিগঞ্জের বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ প্রমুখকে। প্রতীমের কথায়, “বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট হয়েছিল তৃণমূল জমানাতেই। আমরা বাংলার মনীষী, শিল্পী তা সম্পদ যাঁরা, তাঁদের সম্মান ফিরিয়ে রাজ্যের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের কাজ করছি।”
