দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: দিনকয়েক ধরে বন্ধ ফ্ল্যাট। কারও আসাযাওয়া নেই। বুধবার সকাল থেকে বিকট গন্ধ। আশপাশের বাসিন্দারা খবর দেন থানায়। ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে পুলিশ ঢুকে তাজ্জব। ঘরের ভিতর বাবা, মা এবং ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে গড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।
নিহতেরা হলেন বছর আটাত্তরের স্বপন মৈত্র, আটষট্টি বছর বয়সি অপর্ণা মৈত্র এবং দম্পতির ছেলে সুমনরাজ মৈত্র। স্বপনবাবু পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। প্রতিবেশীরা জানান, প্রবীণ দম্পতি সেভাবে কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন না। তবে তাঁদের ছেলে সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন।
[আরও পড়ুন: তৃণমূল ছাড়ছেন রাজন্যা! এবার কোন ভূমিকায় দেখা যাবে ছাত্রনেত্রীকে?]
গত ২৮ ডিসেম্বর শেষবার দেখা গিয়েছিল তাঁদের। বার বার ফোন করেও ওই পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে বৃদ্ধার ভাই বুধবার সকালে গড়িয়ার ফ্ল্যাটে আসেন। দরজা বন্ধ আর বিকট গন্ধ পেয়ে তাজ্জব হয়ে যান। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। তিনজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনজনের দেহ আলাদা আলাদা ঘরে ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তাঁরা। তবে কী কারণে আত্মহত্যা করলেন তাঁরা, তা স্পষ্ট নয়।
