shono
Advertisement
TMC 21 July Rally

২১ জুলাই শহরে 'মসৃণ যানচলাচল', কলকাতা পুলিশকে দরাজ সার্টিফিকেট বিচারপতির

আদালতের বিচারপতির মন্তব্যে সহমত পোষণ করলেন আইনজীবীরাও।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:26 PM Jul 21, 2025Updated: 01:09 PM Jul 21, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন দুই আগেই ধর্মতলায় একুশে জুলাই তৃণমূলের সমাবেশ ঘিরে শহরের ট্রাফিক নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তারই দরাজ প্রশংসা করলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। সোমবার ধর্মতলা-সহ গোটা কলকাতার মসৃণ যান চলাচল দেখে তিনি কলকাতা পুলিশের অকুণ্ঠ প্রশংসা করলেন। জানালেন, খুব ভালোভাবে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যে সহমত পোষণ করেছেন অন্যান্য আইনজীবীও।

Advertisement

একুশে জুলাই ধর্মতলায় তৃণমূলের সমাবেশে ভিড় সংক্রান্ত এক মামলায় বিচারপতি ঘোষের পর্যবেক্ষণ ছিল, ট্রাফিক সমস্যার কারণে আমজনতার যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে পুলিশকে নজর রাখতে হবে। এমনকী মিছিলের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিচারপতির নির্দেশ ছিল, সকাল ৯টার মধ্যে সমস্ত দিক থেকে মিছিল কলকাতায় প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। তারপর আর যেন কোনও মিছিল শহরে ঢুকতে না পারে, সে বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি ঘোষ।

তবে সোমবার নিজে পথে বেরিয়ে যান নিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতি দেখে বেশ সন্তুষ্ট হলেন বিচারপতি। জানালেন, পুলিশ ভালো কাজ করেছে। ভালোভাবে যান নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। তাঁর কথার রেশ ধরে এক আইনজীবী জানান, এদিন নিউ আলিপুর থেকে হাই কোর্টের উদ্দেশে তিনি রওনা হন নির্দিষ্ট সময়েই। হাই কোর্টে পৌঁছতে রোজই তাঁর সময় লাগে ২০ থেকে ২৫ মিনিট। সোমবারও একই সময় লেগেছে। তাতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, তাঁরও আদালতে পৌঁছতে স্বাভাবিক সময়ই লেগেছে। উল্লেখ্য, ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ শুরুর আগে যান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট, ট্রাফিক পুলিশ সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছিল। সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মধ্য কলকাতায় যান সচল ছিল। আর সেই কারণেই কলকাতা হাই কোর্ট পুলিশের কাজের প্রশংসা করেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • ২১ জুলাই তৃণমূলের সমাবেশে কলকাতার যানচলাচল নিয়ে সন্তুষ্ট হাই কোর্টের বিচারপতি।
  • কলকাতা ট্রাফিক পুলিশকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
Advertisement