ফের মাঝ আকাশে বিমানে বিপদ! অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ২৩৬ জন যাত্রী। বুধবার দুপুরে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে আচমকা আগুন দেখতে পান চালক। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিমানটিকে দমদম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৎক্ষণাৎ অবতরণ করানো হয়। কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি ইঞ্জিনিয়াররা। চলছে বিমান মেরামতির কাজ। ঠিক হলে ফের যাত্রীদের নিয়ে তা উড়বে বলে জানিয়েছেন এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
দমদম বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ৭২৭ (TK 727) বিমানটি নেপালের কাঠমান্ডু থেকে তুরস্কের ইস্তানবুলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ছিলেন ২৩৬ জন যাত্রী। বিমানটি যখন কলকাতার আকাশসীমার কাছাকাছি, সেসময় পাইলট লক্ষ্য করেন, বিমানের ডানদিকের ইঞ্জিনের একটি অংশে আগুন জ্বলছে। পাইলট তৎক্ষণাৎ কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (ATC) সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিমানের জরুরি অবতরণ করাতে চান। কলকাতা এটিসি থেকে সবুজ সংকেত মেলার পরই কলকাতা বিমানবন্দরে টার্কিশ বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণ করানো হয়।
টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ৭২৭ (TK 727) বিমানটি নেপালের কাঠমান্ডু থেকে তুরস্কের ইস্তানবুলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ছিলেন ২৩৬ জন যাত্রী। বিমানটি যখন কলকাতার আকাশসীমার কাছাকাছি, সেসময় পাইলট লক্ষ্য করেন, বিমানের ডানদিকের ইঞ্জিনের একটি অংশে আগুন জ্বলছে।
আরও জানা গিয়েছে, এটিসির মাধ্যমে বিপদ সংকেত পেয়ে কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই দমকল ও জরুরি বিভাগকে প্রস্তুত রেখেছিল। টার্কিশ বিমানটি নিরাপদে অবতরণের পর একে একে যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয়। এই মুহূর্তে বিমানটি মেরামতের কাজ চলছে। যাত্রীরা অপেক্ষা করছেন কলকাতা বিমানবন্দরের লাউঞ্জে। বিমানের কাজ শেষ হলে ফের TK 727 উড়োজাহাজ যাত্রীদের নিয়ে ইস্তানবুলের উদ্দেশে রওনা দেবে।
উল্লেখ্য, ইদানিং প্রায়শয়ই মাঝ আকাশে বিমান বিভ্রাটের খবর পাওয়া যাচ্ছে। জরুরি অবতরণের মাধ্যমে যাত্রীরা বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন ঠিকই, তবে প্রশ্নও উঠছে, তবে কি বিমান ছাড়ার আগে কেন নিরাপত্তাজনিত প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি পরীক্ষা বা নজরদারি করা হচ্ছে না? যাত্রী নিরাপত্তায় এতটাই উদাসীন বিমান কর্তৃপক্ষ? নইলে বারবার এমন কেন ঘটছে?
