shono
Advertisement
Central Observer

কেন্দ্রীয় অবজার্ভার ইস্যুতে তুঙ্গে দ্বন্দ্ব, কমিশনের নির্দেশে রাজ্যের ২৫ আইপিএস, আইএএসকে যোগ দিতে হবে ট্রেনিংয়ে

আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অবজার্ভারের ব্রিফিং বৈঠকে যোগ দিতে হবে আইপিএস, আইএএসকে।
Published By: Sayani SenPosted: 04:23 PM Feb 04, 2026Updated: 04:25 PM Feb 04, 2026

কেন্দ্রীয় অবজার্ভার নিয়োগ ইস্যুতে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন সংঘাত সপ্তমে! রাজ্যের কোনও আইপিএস, আইএএসদের ছাড় দিল না কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিবকেও ভিনরাজ্যে কেন্দ্রীয় অবজার্ভার হিসাবে কাজ করতে হবে। কমিশনের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিং বৈঠক। আর সেই বৈঠকে যোগ দিতে রাজ্যে ২৫ জন আইপিএস, আইএএসদের। কমিশনের আরও নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট এই সিদ্ধান্ত দ্রুত সকল আধিকারিককে জানাতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে, তার জন্য এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

দিনকয়েক আগে নির্বাচন কমিশন একটি নির্দেশিকা জারি করে। তাতে উল্লেখ ছিল, বাংলা, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনে ২৫ জন আধিকারিককে কেন্দ্রীয় অবজার্ভার হিসাবে নিয়োগ করা হবে। আধিকারিকদের নামের তালিকাও প্রকাশ করে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা-সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে রাজ্য। নবান্নের দাবি, শীর্ষ আধিকারিকরা অন্যত্র গেলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হতে পারে। এই যুক্তিতে ১৭ জন আধিকারিককে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। বিকল্প নামও প্রস্তাব করা হয়। বুধবার স্পষ্ট করে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এমন কোনও আর্জি তারা মানছে না। কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ২৫ জন আধিকারিককে নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হবে।

রাজনৈতিক ওয়াকিবহালরা অবশ্য এই বিষয়টিকে মোটেও ভালো চোখে দেখছেন না। তাঁদের দাবি, ভোটমুখী রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের নাম কেন্দ্রীয় অবজার্ভারের তালিকায় থাকা নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন। যদিও কমিশনের দাবি, বারবার রাজ্যের থেকে আধিকারিকদের নামের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তবে রাজ্যের তরফে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। সে কারণেই একটি তালিকা পাঠানো হয়। তারপর আবার রাজ্যের তরফে পুনর্বিবেচিত তালিকা দেওয়া হয়। রাজ্যের সেই আর্জি মানছে না নির্বাচন কমিশন। সুতরাং কমিশনের নির্দেশিকার পর সংঘাত যে আরও প্রবল রূপ ধারণ করল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন দেখার নির্ধারিত ডেডলাইনে রাজ্যের ২৫ আইপিএস, আইএএস কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে ব্রিফিং বৈঠকে যোগ দেন কিনা, সেটাই দেখার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement