shono
Advertisement
CJP Protest in Kolkata

খিদিরপুর-পার্ক সার্কাস থেকে লোক! ধর্মতলার অশান্তিতে আফরোজ-নাহিম-তাহিন-নিজাম-সহ ৭০ জন চিহ্নিত

ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে ধর্মতলায় মিছিলের নামে 'জঙ্গিপনা'য় বহু সাংবাদিক জখম হন।
Published By: Sayani SenPosted: 01:22 PM Jul 25, 2026Updated: 04:17 PM Jul 25, 2026

ছাত্রদের আন্দোলনে বহিরাগতদের উসকানি? আর তাতেই ককরোচ আন্দোলনের (CJP Protest in Kolkata) সমর্থনে বাম ছাত্র সংগঠনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ধর্মতলা? পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, শুধু পড়ুয়ারা নন। এই 'জঙ্গিপনা'র নেপথ্যে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র। শনিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari) জানান, খিদিরপুর, রাজাবাজার-সহ কলকাতার নানা প্রান্ত থেকে লোক সরবরাহ করেছেন ভোটে হারারা। এখনও পর্যন্ত হামলাকারী হিসাবে ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

Advertisement

শুভেন্দু বলেন, "ককরোচ মার্চ ব্যানারে কর্মসূচি ডাকা হয়েছিল। দেব দীপ্ত গঙ্গোপাধ্যায় উদ্যোক্তা। পুলিশকে নির্দেশ ছিল সংযত রাখার। কোনও বলপ্রয়োগ না করার যদি না পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যায়। গণতান্ত্রিক দেশ। আন্দোলন গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু সেখানে গন্ডগোল হল। ককরোচ পার্টি বলেছে, বামপন্থীদের ছাত্র সংগঠনগুলি ঢুকে পড়ে। এসএফআই, ডিওয়াইএফআই, ডিএসও, এআইএসএফ-সহ অনেকেই। তার মধ্যে ছিল কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার লোক। যারা ছাত্র নয়, নিটের সঙ্গে কোনও যোগ নেই।" মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি, "ভোটে হারারা রাজাবাজার, খিদিরপুর, পার্ক সার্কাস, গার্ডেনরিচ, নিউটাউন থেকে সব এসেছে। ডোরিনা ক্রসিংয়ে জলের বোতল, জুতো, পুলিশকে ছোড়ে। সাংবাদিকদের উপর হামলা করে।"

ধর্মতলায় 'ককরোচ' আন্দোলন। নিজস্ব চিত্র

অশান্তি পাকানোই 'ককরোচ'দের মূল লক্ষ্য ছিল বলেই জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, "ওরা চেয়েছিল পুলিশ লাঠিচার্জ করুক। গ্যাসের সেল ফাটাক। ঝামেলা বাড়ুক। তাহলে নাটক জমবে। পুলিশ সেই পাতা ফাঁদে পা দেয়নি। কিন্তু ওরা হামলা চালিয়ে গিয়েছে। অল্পবিস্তর জখম কয়েকজন সাংবাদিক চলে গিয়েছেন। তবে গুরুতর জখম হন ৬ জন সাংবাদিক। মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। সবক্ষেত্রে গুন্ডা দমন আইন যুক্ত হয়েছে। ৭০ জন চিহ্নিত। ৪ জন কুখ্যাত। রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিম, একবালপুরের তাহিন ও নিজাম, এবং রাহুল জামান। গুন্ডাদমন আইনে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে এদের তিন পুরুষ মনে রাখবে।" এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৭টি এফআইআর হয়েছে। তার মধ্যে ৬টি হেয়ার স্ট্রিট এবং ১টি এন্টালি থানায় মামলা রুজু হয়েছে।  

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement