রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ডঙ্কা বেজে গিয়েছে। আগামী মাস অর্থাৎ এপ্রিলেই দু’দফায় ভোট। রবিবারই নির্বাচন কমিশন সেই সূচি ঘোষণা করেছে। আর এরপরেই রাজ্যে আসছেন প্রায় সাড়ে ৩০০ জন পর্যবেক্ষক। যার মধ্যে রয়েছেন সাধারণ পর্যবেক্ষক, পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং আয় ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক। তথ্য বলছে, গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার প্রায় দ্বিগুণ পর্যবেক্ষককে পাঠানো হচ্ছে বাংলায়। খুব শীঘ্রই এই সমস্ত পর্যবেক্ষকরা বাংলায় আসা শুরু করবেন বলে খবর। অন্যদিকে ভোট ঘোষণার পরেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে কমিশন। সোমবার এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে সিইও দপ্তরে।
২৬ এর নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করানোটাই বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে। এই অবস্থায় নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখছে না কমিশন। গত কয়েকদিন আগেই গতবারের তুলনায় এবার পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। সেই মতো এবার ২৯৪টি বিধানসভার জন্যেই একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। অর্থাৎ ২৯৪ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও ২৮টি পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে দু'জন করে পর্যবেক্ষক। ছটি পুলিশ কমিশনারটের জন্য থাকবেন দু'জন করে পর্যবেক্ষক। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষককে মোতায়েন করা হবে। যাঁদেরকে কমিশন জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও রয়েছেন আয়-ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক। এবার সেই সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এবার নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন আয়-ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব খতিয়ে দেখতে আসবেন ৭০ থেকে ৮০ জন পর্যবেক্ষক।
এবার ২৯৪টি বিধানসভার জন্যেই একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। অর্থাৎ ২৯৪ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও ২৮টি পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে দু'জন করে পর্যবেক্ষক। ছটি পুলিশ কমিশনারটের জন্য থাকবেন দু'জন করে পর্যবেক্ষক। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষককে মোতায়েন করা হবে। যাঁদেরকে কমিশন জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও রয়েছেন আয়-ব্যয় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক। এবার সেই সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরিসংখ্যান বলছে, সে বার রাজ্যে মোট জেনারেল অবজার্ভার ছিলেন ১৬০ জন। অর্থাৎ একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল এক এক জন আধিকারিককে। কিন্তু এ বারের বিন্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, প্রতি কেন্দ্রে আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি অনেক বেশি নিঁখুত হবে। অন্যদিকে গত বার রাজ্যে মোট ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। এ বার সেই সংখ্যাটা কেবল বেড়েছে তাই নয়, বরং এলাকাভিত্তিক নিয়োগের ওপর জোর দিয়েছে কমিশন। কমিশনের এই 'প্ল্যানিং’ থেকেই স্পষ্ট যে, এবারের ভোট ঘিরে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন।
