নির্ধারিত সময়েই হবে বাংলায় ভোট। গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে কবে ভোট ঘোষণা হবে তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা। আজ রবিবার কমিশনের প্রতিনিধিদলের আসার কথা থাকলেও নবান্নের অনুরোধে সাড়া দিয়ে তা স্থগিত রাখা হয়েছে। ফলত জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। এর মধ্যেই জরুরি বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আগামিকাল সোমবার এবং মঙ্গলবার দফায় দফায় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। যেখানে একদিকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা হতে পারে, অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।
জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ১১ টা থেকে বৈঠক শুরু হবে। প্রথম ধাপে কমিশনার, আইজি, ডিআইজি, জেলাশাসক (ডিইও) এবং জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। দ্বিতীয় ধাপে আইজি, ডিআইজি এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ফের বৈঠকে বসবে কমিশন। মূলত নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠক হতে পারে বলে খবর। ইতিমধ্যে বাংলায় পৌঁছে গিয়েছে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুরু হয়েছে রুট মার্চও। তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে খবর।
বৈঠক হবে মঙ্গলবার। দুই ধাপেই সিইও, এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি যেমন আয়কর, নারকোটিক্স ব্যুরো আরবিআই, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট- রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার-সহ একাধিক এজেন্সির শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। যেখানে একাধিক বিষয়ে চূড়ান্ত রূপরেখা কমিশন তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগের সূচি অনুযায়ী, আজ রবিবার কমিশনের ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার-সহ প্রায় ৮ জন আধিকারিকের পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা ছিল। আজ এবং সোমবার জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু নবান্নের অনুরোধে পুরো বিষয়টি স্থগিত রাখা হয়।
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল আগেই জানান, রবিবার ইডেনে ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট ম্যাচ রয়েছে। সিবিএসই এবং আইসিএসই পরীক্ষাও চলছে। ৩ মার্চ রয়েছে দোলযাত্রা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের অনুরোধে কমিশনের প্রতিনিধিরা সফর স্থগিত রেখেছেন। ওই সফর স্থগিত হয়ে যাওয়ায় প্রশ্ন ওঠা শুরু করে, তাহলে নির্ধারিত সময়ে ভোট ঘোষণা করে সেটা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে তো? ওই প্রশ্নের জবাবে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, ভোট সময় মতোই হবে।
